'সুন্দরবনে সাত বৎসর' বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় কার্তিক ১৩৫৯ বঙ্গাব্দে বিভূতিভূষণের মৃত্যুর দু-বছর পরে। বইটি প্রকাশ করেন ৬৪ কলেজ স্ট্রীট ঠিকানা থেকে সুধীন্দ্রনাথ সরকার। সাড়ে তিন টাকা দামের সর্বমোট ১২৪ পৃষ্ঠার বইটির প্রচ্ছদ এবং ভিতরের মোট ৩৫টি ছবি এঁকে দিয়েছিলেন বিখ্যাত শিল্পী হিতেন্দ্রমোহন বসু ('কুন্তলীন' খ্যাত এইচ বোসের জ্যেষ্ঠপুত্র)। আমরা এই বইতে সেসব ছবি দিতে পারলাম না। বইটি পড়ে রাজশেখর বসু মহাশয় প্রকাশককে যে চিঠি লেখেন তাও এখানে ছাপা হল।
বইটিতে বিভূতিভূষণের হাতের লেখায় একটি ভূমিকাকল্প রচনা শুরুতেই ছাপা হয়েছিল। কিন্তু এই লেখাটি পরবর্তীকালে পাঠকদের কিছুটা বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দেয়। ১৯৭৩ সালে বইটির পুনর্মুদ্রণ করেন শৈব্যা প্রকাশন বিভাগ। তাতে লেখক-পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সংক্ষিপ্ত সংযোজন-ভূমিকা মুদ্রিত হয়।
১৩০২ বঙ্গাব্দে 'সখা ও সাথী' পত্রিকায় ভুবনমোহন রায়ের কলমে 'সুন্দরবনে সাত বৎসর' নাম দিয়ে বাংলা ভাষার প্রথম এই কিশোরপাঠ্য অ্যাডভেঞ্চার কাহিনিটির সূচনা হয়। চারটি সংখ্যায় চারটি কিস্তিতে কাহিনিটির খুব অল্প অংশ
প্রকাশের পর কোনও কারণে বন্ধ হয়ে যায় এই ধারাবাহিক। অনেকদিন পর বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে বর্ধিত ও পরিমার্জিত অবস্থায় সমাপ্ত হয় উপন্যাসটি। বইটিতে প্রকৃতপক্ষে কোনও অধ্যায় বিভাগ নেই, তাই বিভূতিভূষণ শুরুর কতটা ভুবনমোহন রায়ের লেখা থেকে নিয়েছিলেন নাকি শুরুটাও নিজের মতো করে পরিবর্তিত করেছিলেন- পরবর্তীতে এই নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি। ফলে পরের মুদ্রণ থেকে বাদ পড়ে যায় ভুবনমোহন রায়ের নাম।
ভুবনমোহন মহাশয়ের লেখাটি আমাদের হাতে না থাকায় বইয়ের প্রচ্ছদে শুধুমাত্র বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের নামই রাখা হল।
গাছ কাটা হয়নি। এর কোনও অংশের বাধ্যম অর্থাৎ তথ
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""