আজ আকাশের গতিক সুবিধার ঠেকছে না। সবে বেলা দেড়টা। একটু আগেও রোদ ছিল গনগনে। গাছের পাতায় আলপনা কেটে ঠিকরে যাচ্ছিল বাহারি রোদরশ্মির গুচ্ছ। পুচাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে গুনে দেখেছে, ধাবার সামনের বড় কাঁঠাল গাছটায় রোজ রোজ উড়ে-এসে-বসা নীল কালো পাখি দুটো আজকেও পাঁচবার ঠোঁটে ঠোঁটে ঠোকাঠুকি করেছে। আর একদম কোণের টেবিলে যে সুন্দরমতো ম্যাডামটা এসে এক-দু-ঘণ্টা করে বসে থাকে, ফোন করে, ল্যাপটপ নিয়ে নিজের কাজ করে কিংবা শুধুই রাস্তা গাছ আকাশ দ্যাখে, সে আজও দুটো বড় বিয়ার নিয়েছে রোজের মতোই। কিন্তু অন্যদিন ম্যাডামটা ওর দিকে তাকায়, হাসে, কথাও বলে। আজ একবারও তাকায়নি। বেলা দেড়টার ঝকঝকে আকাশ হঠাৎ কালো হয়ে ওঠার মতোই ম্যাডামের মুখটাও গম্ভীর হয়ে উঠেছে। যতবার পুচাই কাস্টমার সার্ভ করতে যাচ্ছে, একবার করে আড়চোখে দেখে নিচ্ছে। কিন্তু ম্যাডামদিদি একবারও এদিকে তাকালে তো!
দু-হাতে জলের জগ আর ট্রে ভরতি কাচের গ্লাস নিয়ে এগোতে গিয়েও থেমে যায় পুচাই। পাখি দুটো কখন উড়ে গেছে। একটা কালো মেঘের পুঞ্জ কোথা থেকে এসে একটু একটু করে গাছের মাথাটা, আরও একটু বেশি, আরও অনেকখানি আকাশ, প্রায় অর্ধেকটা আকাশ ঢেকে ফেলেছে। আর মেঘগুলো কেমন হাতি হয়ে যাচ্ছে, ঘোড়া হয়ে যাচ্ছে, অথবা সমুদ্রের ঢেউ হয়ে যাচ্ছে। পুচাই রোদ ঝকঝক আকাশ দেখলে খুশি হয়, আবার আকাশে
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""