সালামের পিতা জমশের- জাদুকর হিসেবে তার বেশ নামডাক ছিল। কিন্তু সালামের জন্মের কিছুদিন পরেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তার।
মুরশেদ মিয়াঁ-একজন বয়োবৃদ্ধ জাদুকর। তিনি ও তাঁর সাথীরা যৌবনে দিল্লিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন ফরিদ সালাহউদ্দিন নামে এক জাদুকরের অধীনে। তাঁদের দলের সব সদস্যদের মধ্যেই অদ্ভুত কিছু শক্তি রয়েছে যা সাধারণ মানুষদের মধ্যে দেখা যায় না। মুরশেদ মিয়াঁ অনুভব করতে পারেন, ঢাকায় আবির্ভাব ঘটতে চলেছে এমন এক কালো শক্তির যার নাম- 'মৃত্যুর মহান জাদুকর'।
একটা সময় সালাম পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে, স্থান পায় জমির ম্যাজিশিয়ান নামে এক স্ট্রিট-ম্যাজিশিয়ানের কাছে। এখানে তার দেখা হয় কুদ্দুস নামে আর এক জাদুকরের সঙ্গে। কুদ্দুস সালামকে নিয়ে আসে পুরনো এক মন্দিরে, সেখানে তাদের পরিচয় হয় বয়স্ক এক বৃদ্ধের সঙ্গে। এই বৃদ্ধ পুরনো মন্দিরের আড়ালে এক আশ্রম পরিচালনা করেন যেখানে চলে বিভিন্ন জাদুবিদ্যা ও
অস্ত্রবিদ্যার প্রশিক্ষণ। এদের সকলের মূল লক্ষ্য মৃত্যুর মহান জাদুকরের পক্ষে
কাজ করা।
এদিকে মৃত্যুর মহান জাদুকরের উত্থান প্রতিহত করতে গিয়ে একে একে মারা যায় মুরশেদ মিয়াঁর শিষ্য শংকর ও মুরশেদ মিয়াঁর দলের এক জাদুকর বিজয় পাণ্ডে। মুরশেদ মিয়াঁকেও লড়াইয়ে নামতে হয় বৃদ্ধের আশ্রমের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জাদুকরদের বিরুদ্ধে। লড়াই অসমাপ্ত রেখেই ফিরতে বাধ্য হন মুরশেদ মিয়া।
সালামও ফিরে যায় বৃদ্ধের আশ্রমে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""