ডহর কী? আবদ্ধ জলভূমি, বলা ভালো পুষ্করিণী। নব্যগঠিত ঝাড়গ্রাম জেলায় লোধাগুলি জঙ্গলের ঠিক পরেই একটি ছোট্ট গ্রাম বাড়দেউল। যার কোনো একটি গহীন শালবনের গভীরে রয়েছে এক জলাশয় যার নাম নিতে দিনের। আলোয় কেঁপে ওঠে সেখানকার মানুষেরা।
এই ডহর নাকি চতুর্দিক থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে এক শুভ বিনির দিয়ে, যাতে কোনো মানুষ কখনওই এর সংস্পর্শে না আসতে পাণ্ডববর্জিত এই পুকুরের কাছে শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়েই যাওয়া যায় তাও খুব সাবধানে। কেন ডহরের জ্য প্রশ্নতিরা নিষিদ্ধ লো ডহরের জল কেউ ভুল করেও স্পর্শ করালে, তাকে খাঁদে সলো শের ফেলে সেখানের লোকেরা? টুসুপুজোর পরের চারদিন ঠিককালের আবাহন করে বাড়দেউল, রানিডিহির মানুটারাও এই সময় মাতের অন্ধকারেই বা কারা যায় সেই নিষিদ্ধ পুরুয়ার কাজের নারীয়া পোশাক আর অলঙ্কারে ঘুরে বেড়ানো রহস্যময় তিনজন প্রৌঢ়ই বাকীরাও চাকরিসূত্রে ট্রান্সফার হয়ে জঙ্গলমহলে হেলে যার মোয়াকে নিয়ে
হাজির হয় ডিভোর্সি আবিন। কিন্তু এই বাড়দেউলে আসা কী তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল? কেনই বা কালো পোশাক-পরা লোকজন সন্ধ্যা হলেই চক্রাকারে প্রদক্ষিণ করতে থাকে আবিনের বাড়ির চতুর্দিক?
যারা মারা গিয়েছিল অপঘাতে, তারা না কি একে একে ফিরছে যে যার ঘরে। এ কি শুধুই লোকের দেখার ভুল? জেগে উঠেছে এক অভিশাপ যা ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের তিলক এঁকে দিতে চলেছে বাড়দেউল, রানিডিহির কপালে!
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""