আচ্ছা তাহলে মড়ি'র ভূমিকা লিখতে হবে। তাই তো?
যাই, বলুন না কেন? এই ভূমিকা লেখাটা বড্ড চাপের। প্রত্যেকবার, এই জায়গায় এসে কেমন যেন হোঁচট খেতে হয়। বারবার ঝামেলায় পড়তে হয় ভূমিকা লিখতে গিয়ে। তো যাইহোক, লিখতে হবেই যখন আর দেরি করে
লাভ কী? তা প্রথমেই শুরু করা যাক, মড়ি নিয়ে। মড়ি কী? সুন্দরবন এলাকায়, বাঘ কোন মানুষ শিকার করলে, তার পুরোটা সে একেবারে খেয়ে শেষ করতে পারে না। অর্ধেক অংশ খেয়ে তার বাকিটা সে রেখে দিয়ে যায়, পরে এসে খাবে বলে। এই আধ-খাওয়া মৃতদেহই মড়ি।
ব্যাস, সংগ্রহে থাকা বলতে শুধু এইটুকু মাত্র রসদ। এবার সুন্দরবন এলাকার এই কনসেপ্টটিকে উত্তর দিনাজপুরের একটি মফস্সলে পুরোপুরি ভৌতিক কনসেপ্টে কীভাবে ঢালা হল? আর বিস্তর কী কী জিনিস যোগ-বিয়োগ করে, কীভাবে এই ভুতুড়ে উপন্যাসটি দাঁড় করানো হল, সেটা জানতে হলে, অবশ্যই বইটি একবার পড়ে দেখবার অনুরোধ করা হল।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ভৌতিক আবহের সঙ্গে যদি একটা রহস্যের গন্ধ মিশে থাকে কোনো উপন্যাসে, তাহলে তা পাঠক উপাদেয় খাদ্য হয়। 'দহনক্ষুধা' থেকে শুরু করে 'মড়ি'র এই পথ-পরিক্রমায় আমি সেই ধারণাকেই পাথেয় করে এগিয়েছি। আশা করি আপনারা নিরাশ হবেন না।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""