লিখতে ভালোবাসি সেই ছোটোবেলা থেকেই। স্কুলে যখন পড়ছি তখন থেকেই দেওয়াল পত্রিকা, স্কুল ম্যাগাজিন থেকে শুরু করে কলেজ জীবনে এসে 'লিটল ম্যাগ'-এ পর্যন্ত লেখালেখি জারি ছিল। তখন অবিশ্যি লিখতাম প্রধানত কবিতা। পরে অবশ্য অনেকদিন আর লেখালেখির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না।
এরপরে আবার যখন শুরু করলাম ততদিনে সায়েন্স ফিকশন বা কল্পবিজ্ঞান আমার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের হয়ে উঠেছে। আর এই সময়েই খোঁজ পেয়ে ছিলাম কল্পবিশ্ব পত্রিকার। এই পত্রিকা না থাকলে হয়তো এই দ্বিতীয় অধ্যায়ের লেখালেখি হয়েই উঠত না। ছাপার অক্ষরে কাগজের পাতা পর্যন্ত পৌঁছনো তো দূর অস্ত!
অনুবাদ করা দিয়েই এই দ্বিতীয় অধ্যায়ের শুরু।
প্রতিটি ভাষার একটি বিশেষ চলন আছে- তার নিজস্ব লিপি এবং ব্যাকরণ ছাড়াও। আক্ষরিক অনুবাদ সেই চলনের সুরে কিছুতেই খাপে খাপ বসে না। আবার প্রতিটি ভাষার, প্রত্যেক লেখকের, এক নিজস্ব লিখনশৈলী আছে যা অনুবাদে রাখতে না পারলে অনুবাদ তার প্রকৃত জনক বা জননীর রক্তের চিহ্ন বইতে পারে না। অনুবাদক হিসেবে এ এক দ্বিধার সরণি। এ পথে না ও পথে? কোনটা সঠিক? বাংলা ভাষাতে বিদেশি সাহিত্য যাঁরা যাঁরা অনুবাদ করে বিখ্যাত হয়েছেন- এ বাংলা এবং ও বাংলা দুই বাংলার সেই সব দিকপালদের বিভিন্ন অনুবাদ পড়ে সংশয় আরও বেড়ে গেল। কখনও মনে হয় এটাই ঠিক তো আবার কখনও মনে হয় ওটাই ঠিক।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""