মানুষ যবে থেকে মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছে তবে থেকেই মানুষ যে গুণ আর দোষ অর্জন করেছে তার মধ্যে অন্যতম হল ঈর্ষা। ক্রোধ আর ঈর্ষা এই দুই যমজ মানুষ তো কোন ছার ধ্বংস করে দিয়েছে বড় বড় সভ্যতাকে। ধ্বংস হয়েছে সভ্যতা-সমাজ-মানবজাতি।
পৃথিবীর অন্যতম যুগ মায়ান যুগ। মায়ান সভত্যা। সে সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে লেপ্টে ছিল। অশিক্ষা-কুসংস্কার। মায়ানদের ঈর্ষার দেবতা হল ওয়াক্সাকালাহুন। সুবজ তাঁর রং। তার কাজ ছিল মানুষের মনে অবিশ্বাস তৈরি করা।
ঈর্ষার রং সবুজ- হয়ত সেখানে থেকেই বহু যুগ পেরিয়ে কথাটা এসেছে।
অলোক সান্যালে এর কলমে সেই কাহিনী। যে কাহিনী বুনে চলে ইতিহাসের সেই অমোঘ সময়ের কথা... বাস্তবের চরিত্ররা যখন উঠে আসে বইয়ের পাতায়। হয়ে ওঠে কাহিনীর চরিত্র।
ওয়াক্সাকালাহুন আপনাকে নিয়ে যাবে সেই মায়ান রাজ্যে।
যে সভ্যতায় বিশ্বাস ছিল মানবরক্তে ওয়াক্সাকালাহুনের মূর্তিকে ভেজালে জেগে ওঠেন তিনি।
এবং বাস্তবে ঘটেওছিল তাই। বহিরাগত আক্রমণ ঠেকাতে এক গাঁওবুড়ো নিজের রক্তে ভিজিয়ে
ছিল ওয়াক্সাকালাহুনকে। তাঁর বিশ্বাস ছিল এতে শয়তান জেগে উঠে বহিরাগতের নিজেদের মধ্যে
অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করে যুদ্ধ লাগিয়ে দেবে।
ইতিহাস বলে এরকম ঘটনা ঘটেছিল সত্যই।
১৫৯২ সালে শুরু হওয়া মায়ান এবং আজটেক জনজাতি এবং পর্তুগিজদের মধ্যে যে যুদ্ধের শুরু।
তা ধিকি ধিকি করে জ্বলতে জ্বলতে দাবানলের আকার নিয়েছিল গোটা বিশ্বজুড়ে...
চারদিকে কেবল অবিশ্বাসের ছায়া...হিংসার বাতাবরণ....
আর তারপর,
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""