সকালে দেখা বন্ধু বিকেলে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে পাড়া থেকে। ভাঙা পড়ছে তার ঘর, মারা পড়ছে তার বাড়ি- কোনও 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস' ছাড়াই। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় অতিবাহিত করার পর পাড়া-পড়শিরা সব ছিটকে ছিটকে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত পাড়ার ওপর দিয়ে শকুনের মতো উড়ে বেড়াচ্ছে রিয়েল এস্টেট। বাঙালি জনপদের দখল নিচ্ছে হিন্দি-হিন্দু'রা সব। শহরে বেঁচে-থাকার রিংটোন পাল্টে যাচ্ছে অবিশ্বাস্য দ্রুততায়- অদৃশ্য ক্ষিপ্রতায়- 'ওঁ জয় জগদীশ হরে'। হড়মুড় করে ভেঙে পড়ছে কলকাতার পাড়াকাঠামো, তাই, মধ্যরাতে ইমারতি-দ্রব্যের ভয়াবহ আনাগোনা ও তজ্জনিত শব্দ ও শিহরন মুখ বুজে মেনে নিতে হচ্ছে। পাড়ার প্রবীণ-প্রাচীন মানুষ সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখছেন:
বাড়ির পাঁচিল ভেঙে ফেলা হচ্ছে, কোনও আগাম ইঙ্গিত ছাড়াই, শুধুই 'ভয়'য়ের ইঙ্গিতে। নব্বইয়ের দশকে 'বিশ্বায়ন'য়ের অতর্কিত অন্তর্ঘাতে এমনই সব বিপদগ্রস্ত ও দুঃস্বপ্নবাহিত দিন-রাতের কথা নিয়েই '২৪ নম্বর শ্যামানন্দ রোড'-এর এই সিকোয়েল: 'এলো নব্বইয়ের দশক
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""