আনন্দমঠ গঙ্গাসাগর সঙ্গমে মানচিত্রহীন। এক জায়গা। অনেকটা জ্ঞানগঞ্জের মতোই। জ্ঞান ও অনুভূতির রাজ্যে গেলে এইসব গুহাস্থানের স্পষ্ট দর্শন হয়। সাগরসঙ্গমের দ্বীপাকার স্থানে তন্ত্রমঠের চিহ্ন কপিল পরম্পরার। লুপ্তভূমির ভেতর সাধনা শুরু করলেন গৌড়পাদের শিষ্য ব্রহ্মানন্দ ঠাকুর। আনন্দমঠের সাধকেরা বলেন, পুরনো এক বটগাছের নীচে ব্রহ্মানন্দ বাবার আসন ছিল একখানি অসমতল শিলার ওপরে। সেটাই ছিল ব্রহ্মানন্দ বাবার আশ্রম। আনন্দমঠ। মঠ সকলের জন্য দৃষ্টিগোচর নয়। মহাপূর্ণ দীক্ষা ও বিরজা সম্পন্ন যাঁরা, একমাত্র তাঁরা মঠে চলাচলের উপযোগী। মঠের মধ্যে রয়েছে হাতে লেখা বিভিন্ন রকমের তন্ত্র ও যোগের পুথি। গুপ্ত ও লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা আনন্দমঠ ও সেখানকার রহস্যময় সাধক-সাধিকাদের নিয়ে এবং অন্যান্য আরও বহু অসাধারণ ঘটনাবলী নিয়ে লেখা এ বই পাঠকদেরকে নিয়ে যাবে অত্যাশ্চর্য এক সাধনক্রম ও সাধন-জগতে। যা আগে কখনও কারও লেখাতে উঠে আসেনি।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""