অজানাকে জানা, অদেখাকে দেখার ইচ্ছে মানবমনের চিরন্তন প্রত্যাশা। আশেপাশে ঘটে চলা অনেক রহস্যময় ঘটনার মূল শিকড় অনেক দূরে যা অনেকসময় সাধারণ দৃষ্টিতে দৃষ্টিগোচর হয়না। এ রহস্য সমাধানে দরকার অনুসন্ধিৎসু মন, বুদ্ধি বা মগজাস্ত্রের ব্যবহার। কে, কী এবং কেনর প্রশ্ন নিয়ে মনের কোণে কোণে চলতে থাকে দ্বন্দ্ব। কতগুলি রহস্যময় চরিত্র, কিছু ঘটনা বা দুর্ঘটনা সর্বোপরি হত্যার প্রেক্ষাপট এসব নিয়েই রহস্য কাহিনীর নির্মাণ হয়। সব চরিত্রই সন্দেহজনক সব ঘটনাই নিরীহ নয় এ ভাবেই বোধহয় শুরু হয় পথচলা। চারটে রহস্য চাররকমের পটভূমি বুদ্ধির লড়াই মনস্তাত্ত্বিক সংঘাত সব নিয়ে এই বহস্য গল্প সংকলন। আসরে অবতীর্ণ পুলিশি গোয়েন্দা অরিন্দম সেন।
সঙ্গী সর্বক্ষণের ছায়াসঙ্গী শৈবাল। মৃত্যুকে করমর্দনের দূরত্ব থেকে দেখা, পেঁয়াজের খোসার মত এক এক করে জটিল রহস্যের সমাধান করে অরিন্দম আর শৈবাল।রহসা, রোমাঞ্চ, অভিযান, প্রতিহিংসা বা কখনো জটিল ধাঁধার সমাধান নিয়ে এগোতে থাকে গল্প।
অরিন্দম সেন, সিনিয়ার অফিসার হোমিসাইড ব্রাঞ্চ লালবাজার। লেকটাউন থানায় অরিন্দমের জীবন শুরু হলেও নিজের ক্ষমতায় লালবাজার হোমিসাইড শাখায় স্থান করে নিয়েছে দ্রুত।
সাহসিকতা আর বুদ্ধিমত্তার জন্য ডি সি ডি ডি ওয়ান এবং সি পির প্রধান ভরসাস্থল। অরিন্দমের সঙ্গী জুনিয়ার অফিসার শৈবাল। দুজনের অখন্ডজুটি অনেক মিরাকল দেখায়। লালবাজারের অন্দরে কান পাতলে শোনা যায় শৈবালের নাম 'রামের ভাই লক্ষণ"।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""