আমার মত অলস লোকের পক্ষে এই লেখা খুব কঠিন কাজ। পত্র-পত্রিকার জনা ছোটখাট লেখা লিখে দেওয়া যায় কিন্তু একটা বইয়ের জন্য পান্ডুলিপি তৈরি করা অন্ততা আমার একার পক্ষে অসম্ভব। এই বইটির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। সময় পান্ডুলিপির একটা পাতাও আমার নিজের হাতে লেখা নয়। আমি বলে গেছি আর সুন্দর হস্তাক্ষরে লিখে হাত ব্যথা করেছে সহধর্মিণী মিলা বসু। এর ফলে সুবিষে হয়েছে প্রেসের বন্ধুদের কম্পোজ করার ক্ষেত্রে। এসবের পরেও বইটি যে প্রকাশিত হল এ-খররে সব থেকে বেশি খুশী হতেন আমার বাবা ও মা। দু'জনের কেউই আজ নেই। আছে শুধু আশীর্বাদটুকু।
একজন বেতারকর্মী হিসেবে আকাশবাণীতে যোগ দেবার আগে আকাশবাণী ভবনটিকে দূর থেকে দেখতাম আর মনে মনে ভাবতাম এর ভেতরে কত কর্মকাণ্ডই না হয়েছে এবং হয়ে চলেছে। কাজে যোগ দেবার পর ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে আকাশবাণীর বিভিন্ন কেন্দ্রে কাজ করার সুবাদে এটা উপলব্ধি করেছি যে এক বিশাল সাংস্কৃতিক ইতিহাসের ধারাকে বহন করে চলেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে পরিবর্তিত করলেও তার ঐতিহ্যের শিকড়টি অটুট রেখে আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশেও জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে আকাশবাণী।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""