টেক পুত্রদের ঠেক ২
প্রথম খণ্ড পাঠকের দরবারে উইৎ ডিস্টিংশন পাশ করার পরে, সাহস করে এইবারে দ্বিতীয় খণ্ড লিখেই ফেললাম। প্রথম খণ্ডের ভূমিকায় জানিয়েছিলাম, কেন পুরাণের গল্পকে এইরকম যাই-ফাই মোড়কে লিখেছি। সে কথার পুনরাবৃত্তি করার মানে হয় না। শুধু নীচের অংশটুকু উদ্ধৃত করালাম-
আমাদের দেশের পুরাণগুলোতে এত এত গল্প থাকা সত্ত্বেও, কেন নতুন প্রজন্ম সেগুলো জানে না? বা বলা ভালো, জানার চেষ্টা করে না। তার একটা কারণ হচ্ছে, পুরাণগুলোকে যমের সাথে মিশিয়ে দিয়ে এমন একটা জায়গায় রেখে দেওয়া হয়েছে, যে নতুন প্রজন্ম সেগুলো জানতে গিয়ে হয় হাঁপিয়ে যায়, নয়ত হেসে ফেলে। আপনাদের বুজতে হবে, দেশে যতই ধর্মের লামাধারীরা ধর্মের নবজাগরণ করার চেস্টা করুক না কেন, এই পুরাণের গল্পগুলো যতদিন না সবার কাছে সর্বগ্রাহ্য রূপে পৌঁছচ্ছে ততদিন নতুন এবং আগামী প্রজন্ম এগুলো জানবে না, শিখবে না। ঠেকি খেলানো বা তোতাপাখির মুখস্থ করানোর মতন হয়তো ভারা পড়বে, কিন্তু গ্রহণ করবে কী। যেমন তারা হ্যারি পটার গ্রহণ করেছে। স্টারভার্সে। চামিনেটর। মারভেল-ডিসি?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""