ভাবছি আপনাদের বলি, কাহিনিটা কাল্পনিক ভেবেই পড়ুন।
হ্যাঁ, কাহিনিটা কাল্পনিক ভাবলে অসুবিধে নেই এই কারণে যে আমি ইচ্ছে করেই বেশ কিছু স্থানের নাম এই কাহিনিতে প্রকাশ করিনি। আর দ্বিতীয়ত উদ্ভব লিঙ্গ তীর্থক্ষেত্র যে কারণে প্রসিদ্ধ বলে এই কাহিনিতে লিখেছি সেখানে আদৌ সেই ব্যাপারটা হয় না। আর এই বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকেও যেখানে সত্যি কাহিনিতে বর্ণিত ঘটনাগুলো ঘটে, সেই স্থানগুলোর নাম ইচ্ছে করেই উল্লেখ করিনি।
না, অনেক হেঁয়ালি হল। এবার এই কাহিনিটি শুরুর আগে কাহিনিটির বীজকে বরং জাগ্রত করি। তাতে পাঠক কাহিনি সম্পর্কে অনেক বেশি সুচারুভাবে আগ্রহী হবেন।
এই কাহিনিটি শেষ করতে আমার তিন বছর সময় লেগেছিল। এরকম নয় যে প্রতিদিন লিখেছি। কিন্তু এই তিন বছরের প্রতিদিন কখনো না কখনো আমি কাহিনিটি সম্পর্কে ভেবেছি। অন্তত বারকয়েক এই কাহিনির ক্লাইম্যাক্স পরিবর্তন করেছি। শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ালো তা হয়তো পাঠকের মতামত থেকে আগামীদিনে জানতে পারবো।
এবার আসি একটা প্রশ্নে, যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার এই কাহিনিটি মাথায়
এসেছিল। যে সময়ে এই লেখাটা লিখছিলাম সেই সময়ে পাঠকমহল আমাকে দাগিয়ে দিয়েছিল এই বলে যে আমি ভয়ের গল্প লিখি। না এই দাগানোটা মিথ্যে নয়, 'চন্দ্রহাস' লেখার পর যখন পরপর আরও কিছু ভয়ের গল্প বা থ্রিলার আমার প্রকাশিত হলো সবাই ততদিনে জেনে গেছে যে আমি ভয়ের কাহিনি লিখি। খুব ভালো কথা, কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে ভয়ের গল্পের যে ভয়াবহ অনুভূতি থাকে তা থেকে বারবার বঞ্চিত হচ্ছিলাম। হ্যাঁ শ্রদ্ধের পাঠক, আমার নিজের লেখা গল্পগুলোও আমার শিড়দাড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত ছোটাতে পারেনি। অথচ আমার পাঠকেরা সে জায়গায় অত্যন্ত সন্তুষ্ট। মূলত নিজেকে ভয় দেখানোর জন্য প্রথম লিখতে শুরু করেছিলাম এই 'উদ্ভব লিঙ্গ'। প্রথম খসরায় এই কাহিনির নাম ছিল 'মৃতগ্রাম'। পরবর্তীতে কাহিনি ধীরে ধীরে অন্য খাতে বইতে থাকে। যেহেতু আমি তিন বছর সময় পেয়েছিলাম, তাই এই তিন বছরে মূল কাহিনির খোল নলচে অনেকটাই বদলে ফেলতে পেরেছি। তবে নিজেকে যে ধরনের ভয়ের গল্পের সন্ধান দিতে গিয়ে এই কাহিনি লেখা শুরু
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""