'বৈজন ওঠো। ভোর হয়ে গেছে।' আমি ভীষণ বিরক্তি নিয়ে চোখ ডলতে ডলতে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ভোর সাড়ে চারটে। কোনো মানে হয়? এই রাতে এখন আমায় উঠে দানুর সাথে বেরোতে হবে।
হ্যাঁ, আমার ঠাকুরদা (যদিও আমি দাদু বলে ডাকতাম) সুধীন্দ্রনাথ রাহা আমাকে ওই নামেই ডাকতেন এবং ব্রাহ্ম মুহূর্তে আমাকে ঘুম থেকে তুলে সঙ্গে করে হাঁটতে বেরোতেন। দাদু খুব গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কখনো হা-হা করে হাসতে দেখিনি। হাসলেও মৃদু মৃদু হাসতেন। জগৎসংসারে হেন কাউকে দেখিনি যে ওনার মুখের উপর কথা বলতে পারত। এক আমি ছাড়া। আমি রীতিমতো ঝগড়াও করেছি। এবং সেটা সাহিত্য ও নাটক নিয়েও।
is als of gelerate the lost alleviate our lovellate into take 10 রোডও হয়নি তখন। এখন যেটা সন্ট লেক, সেখানে তখন জলায় ভরতি, মাঝখান দিয়ে চলে গেছে টানা সুড়কির রাস্তা। তার দু-ধার ধরে সারি সারি কৃষ্ণচূড়া আর রাধাচূড়া গাছ, আমার বায়নায় মাঝে মাঝেই দাদু দাঁড়িয়ে পড়ে লাঠি দিয়ে ফুল Blog else blei00 2100 207 algirl), real aate late Bitle leadilla কিন্তু আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন।' এই আরেকটা ব্যাপার, প্রতিদিন সকাল ছ-টার মধ্যে দাদু আমাকে স্কুলে পৌঁছে দিতেন। আর দাদুর চেহারাটা স্কুলের দরজা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেলে আমি কান্না জুড়ে দিতাম। দাদু আবার ফিরে আসতেন, আর বলতেন, 'তুমি কি বোকা? এখানে কি আমি তোমার সঙ্গে পড়ব? আমি আবার এগারোটার সময় এসে তোমায় নিয়ে যাব। এখন ভিতরে গিয়ে খেল।' একদিন ক্লাস টিচার দাদুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, 'আপনি ওকে স্কুলে এসে খেলতে বলেন কেন?' যথারীতি দাদু মৃদু হেসে উত্তর দিয়েছিলেন, 'একটা ছ-বছরের শিশু কী পড়বে? আমি কখনো এই বয়সে পড়েছি? মাঠ বাদাড় ভেঙেছি, গুলতি খেলেছি, মাছ ধরেছি, প্রজাপতি ধরে উড়িয়েছি। তাই না আমি দু-চার কলম লিখতে পারি।'
স্নিগ্ধাদি চুপ করে যেতেন। সে সময়তেও আমি লক্ষ করতাম, আমার প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা দাদুকে কী অসম্ভব শ্রদ্ধা করেন। দাদু আমাকে
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""