মানুষ একজীবনে কেবলমাত্র নির্দিষ্ট আয়ুসময়ে বাঁচে এমন নয়। আশেপাশের অন্যান্য জীবন, ঘটনা, স্মৃতি, অনুভব, উপলব্ধিতে সেই জীবন ছড়িয়ে যায়।
ক্যালাইডোস্কোপের রঙিন কাচটুকরোর মত জীবনের বং আর রেখায় বিভিন্ন বিভঙ্গে তৈরি হয়ে চলে নানান চিত্রকল্প। কোনটাই স্থির নয়, কোনটাই অনন্ত নয়। তবু কালের যাত্রাপথে সেইসব যাপিত মুহূর্তগুলো নানান গল্প বলে চলে।
লেখকের কাজ কেবল সেই উড়ন্ত মুহূর্তগুলোকে কালিকলমে বন্দি করা। এই বইতেও সেইসব সাদা ও কালো, আলো ও ছায়াময়, বিষ ও অমৃতের কাহিনী নিয়েই লেখকের প্রচেষ্টা একটি নিজস্ব কথাপট নির্মাণের। কিন্তু লেখক তো কেবল খড়-বাঁশ-মাটির আখরমূর্তিটুকু গড়তে পারেন। সেই কাঠামোর প্রাণপ্রতিষ্ঠে হবে পাঠকের পাঠে, রসাস্বাদনে। পাঠকের পাঠদরবারে তাই লেখককে আসতেই হয়। এই বইটিও সেই আশাতেই চলল নতুন নতুন পাঠকের দৃষ্টিতে পথ খুঁজে নিতে।
গুরুচন্ডা৯ প্রকাশনাকে অনেক ধন্যবাদ নবীন কলমচিকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ঈপ্সিতা পাল ভরসা রেখেছেন-বলা যায় আবিষ্কারই করেছেন আমার এই লেখা। তাঁকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ জানাই প্রতিভা সরকার দিদিকে। তাঁর অমূল্য সময় দিয়ে তিনি আমার লেখাপত্র পড়েছেন। এবং দু-কলম লিখে দিয়েছেন। এ আমার পরম প্রাপ্তি। দুই অগ্রজাসমা মিতা ঘোষ ও মজুলিকা রায়কে কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁদের স্নেহঅঙ্গুলি না থাকলে এই পথে চলা হত না।
সামান্য উৎসর্গের কনকাঞ্জলীতে পিতৃমাতৃঋণ শোধ হয়ে যাবে এমন নয়। আশৈশব বাবা মায়ের যাপিত সংস্কৃতিতেই তৈরি হয়েছে যা কিছু আজকের। প্রতিদিনের তিক্তকষাটুকু ধারণ করে সাহিত্য চর্চার সুষমাকে লালিত করতে পথ করে দিয়েছেন ড. স্বরূপ সাঁতরা। অদ্রিজা আর অহনা দুটি খোলা জানালার মত জীবনকে ভরে রেখেছে। এইসব নিয়েই ওঠাপড়ার পথচলা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""