66 চোখটা আলোয় সয়ে এলে বুঝলাম নিস্তার ভাই জানালায় কিছু একটা লাগিয়েছেন যেটা বাইরে থেকে সূর্যালোক ঘরে নিয়ে আসতে পারে। সেই আলো ঘরের চার দেয়ালে রাখা চারটা আয়নায় প্রতিফলিত ও পুনঃপ্রতিফলিত হয়ে একটা উজ্জ্বল লাল ক্রসের বা যোগচিহ্নের সৃষ্টি করেছে। দেখলাম ঘরটার মেঝে থেকে প্রায় তিন ফুট উঁচু সব কাগজের স্তম্ভ, দিস্তা দিস্তা কাগজ, সারা ঘরটায় এরকম প্রায় দশটা স্তম্ভ ছড়ানো। দেয়ালের আয়নাগুলোর আকার বিশাল আয়তক্ষেত্র, ছয় ফুট বা চার ফুট হবে। সোনার ফ্রেমে মোড়া মনে হলো। একদিকের আয়নার নিচে একটা ড্রেসিং টেবিল, সেখানেই ঘরের একটা মাত্র চেয়ার।
আমি কাগজের স্তম্ভগুলোর কাছে যেয়ে দেখলাম সেগুলো হাতের লেখায় ভর্তি। নিস্তার ভাইয়ের দিকে তাকালাম, জিজ্ঞেস করলাম, 'এগুলো আপনার লেখা?' উনি মাথা ঝুঁকিয়ে হ্যাঁ বলতে চাইলেন। বললাম, 'এতে হাত দেয়া যাবে?' উনি আবার মাথা দিয়ে ঝুঁকিয়ে সম্মতি দিলেন।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""