বিজ্ঞানচর্চা কোনো বায়বীয় পদার্থ নয়, যে-যে পাত্রে থাকবে তাকে পরিপূর্ণ করে রাখবে। শুধুমাত্র একজন বিজ্ঞানীই বিজ্ঞান গবেষণার প্রথম ও শেষকথা হতে পারেন না। বরং বিজ্ঞানের গবেষণায় আন্তর্জাতিক মানের কাজ করতে গেলে যন্ত্রপাতি ও পরিকাঠামোর ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। আর সরকারি বিচারে সেইখানে এসে বিজ্ঞানীর চেয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠান বড়ো হয়ে ওঠে।
গবেষণাগারে যাঁরা কাজ করেন-অর্থাৎ যাঁদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো নিয়মিত পড়াতে হয় না-ভারতীয় বিজ্ঞান সমাজে তাঁদের স্থান উচ্চে-সরকারি অনুদান, গবেষণাবৃত্তির সিংহভাগ, অন্যান্য হাজারো সুযোগ-সুবিধে আসে সেখানে। স্বাভাবিকভাবেই, ভালো ছাত্ররা সেখানেই কাজ করতে চায়। আর ঝাঁকে ঝাঁকে মেধাবী ছাত্র যেখান থেকে তৈরি হয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার পরিকাঠামোর অভাবে পিছিয়ে পড়ে। আর সেটা যদি কলেজ হয়, তবে তো অবস্থা আরো করুণ-সেখানে চেষ্টা করেও কোনো অনুদান আদায় করা প্রায় অসম্ভব। সোজা কথায়, পরিকাঠামো যেখানে উন্নততর, অনুদানের প্রাচুর্য সেখানেই; যেখানে পরিকাঠামো দুর্বল-সেখানে সাহায্যও ক্ষীণ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""