বস্টন, ২০১০, ৩১শে ডিসেম্বর। আর ঠিক সাড়ে বারো মিনিট পরে নতুন বছর শুরু হবে। চার্লস নদীর ওপরের আকাশ ভরে উঠবে আতসবাজির রোশনাইয়ে। এম আই টি-র সামনে যে বড় রাস্তাটা, যার পোশাকি নাম ম্যাসাচুসেটস অ্যাভিনিউ আর সংক্ষেপে ম্যাস অ্যাভ, তার ওপরের সারি সারি রেস্টুরেন্টগুলো আজ আলোর মালায় সেজে উঠেছে। রাস্তার দু-ধারে কিছু দূর পর পর রাখা রয়েছে বড় বড় আলোর তারা, স্নোম্যান আর সান্টাক্লজ। বরফ পড়ে রাস্তাঘাট ধবধবে সাদা। আর তার মধ্যে রংবেরঙের পোষাক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছুটির আমেজে থাকা নানা বয়সের মানুষ।
ব্যতিক্রম শুধু ম্যাস অ্যাভ থেকে পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে ঢুকে যাওয়া ল্যান্সডাউন রোডের ওপর অবস্থিত একটি ল্যাব। ল্যাবে কেউ নেই। অতিপ্রয়োজনীয় আলো বাদে বাকি সব আলো নেভানো। সেই জনশূন্য প্রায়ান্ধকার ল্যাবের এক কোণে একটা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বসে আছে তেইশ বছরের পিএইচডি ছাত্র কৃষ্ণন ওরফে মার্কিন উচ্চারণে কৃশ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""