১৯৪১ সালে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল গেজেটে একটি আশ্চর্য তথ্য প্রকাশ পায়। বাংলায় যদি কোনো সাইকোঅ্যানালিস্ট 'কালাজ্বর' কথাটি উচ্চারণ করেন, দশ জনের মধ্যে নয় জনই বলে উঠতেন 'ইউরিয়া স্টিবামিন' অথবা 'ব্রহ্মচারী'। সাধারণ জনমানসে এমনই ছিল তাঁর গ্রহণযোগ্যতা। একশ বছর আগে খুবই সীমিত আয়োজনে ভয়ানক মারণ-ব্যাধি কালাজ্বরের চিকিৎসায় তাঁর আবিষ্কৃত ওষুধ ইউরিয়া-স্টিবামিন ব্যবহার করে বহু মানুষের প্রাণ বেঁচেছিল। রাসায়নিক বস্তুর সাহায্য নিয়ে ওষুধ বা ড্রাগ তৈরির ব্যাপারে তিনিই ভারতে পথিকৃৎ। এত বড়ো আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানের জগতে সর্বোচ্চ সম্মান, নোবেল পুরস্কার তাঁর পাওয়া না হলেও মানুষের দরবারে তিনি বহু ভাবে সম্মানিত হয়েছেন।
আবার কখনো-বা হয়েছেন নিন্দিত। সেই সাদায়-কালোয় মানুষ উপেন্দ্রনাথের তিয়াত্তর বছরের পার্থিব জীবনে- তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কৃষ্ণা রায়ের উপন্যাস 'ব্রহ্মচারী ও কালাজ্বর'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""