বেড়ালের মুখের দিকে কখনও ভালো করে নজর করে দেখেছেন?
প্রতিটি বেড়ালের ফেস কাটিং আলাদা আলাদা। কাউকে দেখতে ঠিক খিটকেল দাঁতের ডাক্তারের মতো, আবার কেউ যেন পাশের বাড়ির টুবলুর মেজো পিসেমশাই; দেখলেই মনে হয় এক্ষুনি পাটিগণিতের নল-চৌবাচ্চার আঁক কষতে বসিয়ে দেবে! আবার কেউ এক্কেবারে পাড়ার সদুজ্যাঠা! অষ্টপ্রহর ঝিমোচ্ছে, শুধু পাশ দিয়ে লোক গেলে তার ছায়ার টুসকিতে জেগে ওঠে! এও দেখেছি, কোনও কোনও বেড়াল আমার রাঙাদিদু টাইপ: চোখ দুটো দেখলে মনে হয় গা ঘেঁষে বসে আমি নিজেই বেড়ালের মতো আহ্লাদে গরগর করি। আবার কোনও কোনও বেড়াল যেন জন্ম-প্রেমিক! সবসময়েই সকলকে 'মিউ মিউ' করে মন জুগিয়ে চলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গত কারণেই আমার আবার এই ধরনের বেড়ালের প্রতি একটু বেশিই পক্ষপাত।
কোনও কোনও বেড়াল নিজেরাই একটু ন্যাকা ধরনের। এদের দেখলেই বোঝা যায় 'নেকুপুষুমুনু' কথাটা কোথা থেকে আর কেন এসেছে। এরা নেকি মেনিবেড়াল। বেশিরভাগেরই নাম 'পুষি'। চেহারা সাধারণত খুব ফর্সা। কটা, নীল বা একটু সবজেটে চোখ, গায়ে একটুও ধূলোবালি নেই। সবসময়েই ম্যানিকিওর-পেডিকিওর করতে ব্যস্ত; মানে জিভ দিয়ে থাবা চাটছে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""