এক আছে মহীন। এক আছে শ্রীরাধিকা। এক আছে কালী। তিনজনের তিনজন হয় তারা। তিনজনের কাহিনি হয় এই বাংলা লেখা। তারই সারকথা বলে যায় মহীন-
পৃথিবীটা যে খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে, তা কার জন্য? কালীটার জন্যই তো না কি? কালীটা কল্যাণময়ী হয় তো ভয়ঙ্করী হয়। কালীটা মেয়ে হয় তো মা হয়। কালীটা সিদ্ধিশ্বরী হয় তো বৃদ্ধিশ্বরী হয়। কালীটা রক্ষাকালী হয় তো ভদ্রকালী হয়। কালীটা করালী হয় তো ক্ষেমকরণী হয়।
শিবটা যখন স্থির ছিল তখন নিষ্ক্রিয় ছিল। শুধু একটাই ছিল শিবটা। থাকত একাই। ব্রহ্ম হয়ে থাকত। শুধু-কালীটার দরকার না ছিল। উয়াদের বালখিল্য ঋষিগুলো চেঁচাইছে দিনরাত ব্রহ্ম ব্রহ্ম করে। সব উয়াদের অদ্বৈতের নষ্টামি। কালীটার দরকার না ছিল। ব্রহ্ম হয়ে একা থাকত শিবটা! জগৎসংসার মাথা চাগাড় দিত কালীটা ছাড়া!
মনুষ্যজনে দেখত! দেবতাজনে দেখত। কালীটার দরকার না ছিল। শিবটাতো ব্রহ্ম। সয়ম্ভু হলেই হত! হয় নাই গো! হয় নাই বটে!
মান্দাস
A
শিবটার মধ্যে যে সংবিৎ জাগল-
উটাই তো কালী। উটাই তো শক্তি বটে। শ্রীরাধিকা বলে, "উটা স্ত্রী শক্তি গো!" মহীন চেঁচায়, "উটা কালী। কালী। কালী। কালী।"
শ্রীরাধিকা বলে, "ক্রীং!”
মহীন বলে, "মা গো!”
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""