তীর বায়ে 'কমেডিয়ান' ছায়াকে পুয়েমুছে দিয়ে এই গ্রন্থে তাঁকে নিয়ে সুদীর্ঘ আলোচনায় তাঁর স্ত্রী, দুই পুত্র ও কন্যা। তিনি স্বদেশিদের 'রিভলভার' পাচার করতেন। বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তর সহচর। বিজ্ঞানী সত্যেন বসু, কবি জসীমউদ্দিন, ইতিহাসবিদ রমেশচন্দ্র মজুমদারদের স্নেহধন্য। ঢাকায় তাঁর নামে 'হুলিয়া' জারি হওয়ায় বাধ্য হন কলকাতায় পালিয়ে আসতে। এ সব কাহিনি তা'ও খানিক জানা। কিন্তু বাংলা সিনেমা জগতে তাঁর 'নিষিদ্ধ' হওয়ার নেপথ্য কাহিনি থেকে কেন সত্যজিৎ-মৃণাল-ঋত্বিকের চলচ্চিত্রে তিনি অনুপস্থিত, বামপন্থীদের নিয়ে তাঁর জবান থেকে তাঁর নির্দেশনায় আসতে চাওয়ার অপূর্ণ ইচ্ছে, তাঁর ইংরেজি ফিল্ম ও নানান সাহিত্যের প্রতি প্রীতি, তাঁর মার্ক্সীয় দর্শনের পঠনপাঠন হয়ে খ্যাতনামা হওয়ার পরেও অন্যায় দেখলেই আস্তিন গুটিয়ে রাস্তায় নেমে পড়া, অভাবীদের জন্য উদারহস্ত হওয়া থেকে তাঁর মুম্বই গমন বা বিদেশ যাত্রা, তাঁর সংসার জীবনের খুঁটিনাটি সহ বহু বহু অকথিত কাহিনি- ক'জন জানেন! এমনই বর্ণনায় অন্দরের এক জন স্বামী ও পিতার গল্প গড়ান দিতে দিতে কখন যে বারমহলের স্বপ্ন, সংঘাত, মুখ ও মুখোশের আখ্যান হয়ে ওঠে, বোঝা দুষ্কর!
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""