বিশ্বসাহিত্য, কম্প্যারেটিভ লিটারেচারের এমনই নাম দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
বলেছিলেন 'গ্রাম্য সংকীর্ণতা হইতে নিজেকে মুক্তি দিয়া বিশ্বসাহিত্যের মধ্যে বিশ্বমানবকে দেখিবার লক্ষ্য আমরা স্থির করিব, প্রত্যেক লেখকের মধ্যে একটি সমগ্রতাকে গ্রহণ করিব'। মূল ভাষায় কিংবা অনুবাদে বিশ্বসাহিত্যপাঠ আমাদের মনকে যে মুক্তির পরিসর দেয়; তুলনার দর্পণে আমরা যেভাবে নিজস্ব শিল্প-সাহিত্যকে নতুনভাবে চিনতে পারি তুলনামূলক সাহিত্যপাঠের সার্থকতা সেখানেই নিহিত। তাই প্রভাব-প্রেরণা কিংবা সদৃশ সাহিত্যকর্মের তুলনার পাশাপাশি অনুবাদবীক্ষাও বিশ্বসাহিত্যপাঠের জানালা খুলে দিতে পারে এখন। দেশি বা বিদেশি টেক্সটের পাঠসূত্রে পূর্ববর্তী পাঠের অভিজ্ঞতাও অর্থময় হয়ে ওঠে বারংবার। এই 'বিশ্বসাহিত্যের জানালা' বইয়ের প্রবন্ধগুলিতে ধরা রয়েছে তুলনামূলক পাঠপদ্ধতিতে বিশ্বাসী তেমনই এক প্রাবন্ধিকের নিজস্ব পঠনমুদ্রা, যাকে তাত্ত্বিক পরিসরে 'পাঠকের অভ্যর্থনা' বললেও অসংগত হবে না
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""