সে এক স্বপ্নালু প্রহর ছিল। অলাক্তক রাগে রঞ্জিত গোধূলির সূর্য অস্তাচলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে আকাশের মায়াবী চন্দ্র দেখে অসংখ্য শিশু নক্ষত্রের ঘুম ভাঙত। নাচ-মহলে এক এক করে জ্বলে উঠত হাজার বাতি। ঝাড়বাতির রোশনাইয়ে, সারেঙ্গীর ঝঙ্কারে, সেতারের মূর্ছনায়, সুরবাহারের সপ্ততারের শব্দে, তবলার তেহাইয়া বোলে, নুপুরের নিক্কণে অলৌকিক, শাব্দিক দ্যোতনার সৃষ্টি হত। ঝরোকার আড়ালে বসে থাকা সুন্দরী তবায়েফের কণ্ঠ নিনাদিত সপ্তসুরের মূর্ছনা শোনা যেত। তিলোত্তমা দেহবল্লরী স্পন্দিত হত নৃত্যশৈলীর কুশলতায়। বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক পৃথ্বীরাজ সেন তাঁর সম্মোহ শব্দসম্ভারে বলেছেন হারানো কলকাতার রংবাহারি যৌবন পিয়াসী বাবুদের খুশখেয়ালের খোয়াবনামা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""