চিঠিটা পড়ে পাথরের মতো বসে থাকে বৃষ্টি। ধীর পায়ে এগিয়ে আসে খোলা জানালার পাশে। দমকা হাওয়ায় উড়ে যায় চিঠি তারপর যেন, ভেসে যায় দূরে কোথাও... ধরা দেয় না বৃষ্টির কাছে। অনেকদিন পরে জানালায় মাথা রেখে প্রকৃতির স্বাদ নিতে চাইছিল বৃষ্টি, কিন্তু অনির্বাণের এই চিঠি বৃষ্টিকে চোখের জলে ভাসিয়ে দিল। বহুদিন পরে এমন বুক ঠেলে কান্না পেল তার। কান্নার মাঝে একটাই শব্দ তার মুখে শোনা গেল-আকাশ! একদিন অনুভবের গাঢ়তায় ডুবে লিখেছিলে, 'সমস্ত প্রতিকূলতার কাঁটার ওপরে আমাদের এই আশ্চর্য গোলাপকে ফুটিয়ে যেতে হবে আজীবন। শপথের এই মালাটুকু আমরণ দুলিয়ে দিও আমাদের ভালোবাসার গলায়। একটা করে রাত ভোর হয়ে যখন নতুন সূর্য দিনের কথামালা পাঠ করায় এই পৃথিবীকে, সেই সুগন্ধি ভোরের আকাশের আলো মেখে নিতে নিতে নতুন করে উপলব্ধি করি-ভালোবাসা কি মধুর যন্ত্রণা। ভালোবাসা পাওয়া কি আশ্চর্য স্বর্গসুখ'। তোমারই প্রতিধ্বনি করে তাই আজ বলতে ইচ্ছে করছে আকাশ, সমস্ত পৃথিবীর বিনিময়ে আমি শুধু তোমাকেই চাই।
বৃষ্টি কি সত্যিই পেয়েছিল তার আকাশকে? এ প্রশ্নের জবাব মিলবে শেষ পৃষ্ঠায়।
ভালোবাসার নানা রং নিয়ে শব্দে শব্দে গড়ে উঠেছে এই তন্বী উপন্যাস, শিরোনাম পেয়েছে 'হাজার মনের ভিড়ে'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""