আমার খুব ছোট হয়ে যেতে ইচ্ছে হয়। তাই আমি ছোটদের জন্য শুধু লিখিনি ছোটদের হয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। ছোটদের বদমাইশি, দুষ্টুমি, তাদের হাসি-মজা, কাল্পনিক মন বা কান্না পেলে ভ্যাক করে কেঁদে ফেলা...এসব কিছুই আমাকে আকৃষ্ট করে। যেভাবে আকৃষ্ট করে পশু পাখি। তাদের ডাকা হাঁটা চলা সব। বাচ্চাদের হাসতে এবং হাসাতে ভালো লাগে। কোন ভারি ভারি শব্দের মন কষ্টের লেখা লিখতে ইচ্ছে করে না। তাই অনেক ভেবে এই নাড়ুমামার চরিত্র সৃষ্টি। ফুলুরি খেতে খেতে তার গুলগাপ্পার গল্প শোনে ভাগ্নেরা। নাড়ুমামা মানেই ঝুড়িঝুড়ি হাসি মজা। ভূতের গল্প বিশেষ লেখা হয়নি। কারণ 'ভূত' বলে যে কিছু নেই সেটা তাদের বিশ্বাস করানো। আর লিখলেও হাসি মজার ভূত নিয়ে লিখেছি। ভূত নিয়ে তিন খন্ডে তিনটি উপন্যাস আছে। ভূত ভাড়া নিয়ে গোয়েন্দার কাজে লাগিয়েছে নাড়ুমামা এবং ছোট-গোয়েন্দা
ভাগ্নেচন্দ্র। এরকমও উপন্যাসে দেখানো হয়েছে। আগাগোড়া সরস নির্মল হাসি ও মজা নিয়ে গল্প। এগুলি বেশ জনপ্রিয় শারদীয় পত্রিকাতে বেরিয়েছে। শীঘ্রি বই আকারে বেরোবে।
কোন একজন কবি লিখেছিলেন, বাচ্চাদের লেখা না লিখলে কলম পুরুষ্ঠ হয় না। এটা বিশ্বাস করি, তাই একের পর এক নাড়ুমামা লিখে যাচ্ছি। সেই নাড়ুমামা সিরিজ থেকে বাছাই করা আঠারোটা গল্প নিয়ে 'পালক (প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা)' সংস্থা থেকে গল্প সংকলন হিসেবে প্রকাশ হলো 'দেড় ডজন নাড়ুমামা'। আশা করি, ছোট বড় নির্বিশেষে সব্বার ভালো লাগবে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""