দিব্যেন্দু সরকার
কবি তার গ্রন্থকারের ভূমিকায় লিখেছেন..
কেন সজনেফুল? অন্যকিছু যেমন মৌরিফুল, মূলোফুল, হলুদ পাখী বা দুলফি শাক হতেই পারতো। হ্যাঁ, হতেই পারতো। কবির 'সজনেফুল' কাব্যগ্রন্থের পরিচয়ে এইটুকুই বলা যথেষ্ট হতে পারে। তিনি প্রকৃতি প্রেমিক।
তুচ্ছতাকে বেঁধেছেন তার তুরীয় কলমে। তিনি যখন লেখেন 'একটা বিকেল কি করে যে গেল কাঁঠাল গাছের ফাঁক দিয়ে' তখন আমাদের মন হারিয়ে যাবার বেদনায় হায় হায় করে। 'উদাসী বসন্ত' কবিতা পড়তে গিয়ে বুকের ভেতর কেমন করে ওঠে। আবার 'তুই অমন কেন তাকাস', 'বেঁচে থাকার অসুখ' কবিতায় মনে হয় নদীর সাথে কেউ কি এমন করে মন জড়াতে পারে!! তিনি পারেন একাত্ম হতে প্রকৃতির সামান্যতম সৃষ্টির সাথেও। 'একা' কবিতাটি পড়তে পড়তে মনে হয় আর পাঁচটা কবির মতো তিনিও একা। শুধু এইটুকু নয়। এই প্রকৃতির কাছে যে মনের ঠাঁই, সেই ঠিকানার হদিশ তিনি দিতে পারেন। অল্প কয়েকটা মুক্তগদ্যও আছে এই কাব্যগ্রন্থে। সারল্যের অনুভূতিতে সেগুলো ভারি মিঠে। সহজ করে বলাই কবির স্বকীয়তা। 'পদ্মানদীর মাঝি', 'আমি তাকে শরৎ বলি', 'অরুন্ধতী' পড়তে পড়তে প্রকৃতির সাথে একাত্ম আপনিই হয়ে যেতে হয়। এই অনুভবে মেধা লাগে না, মন থাকলেই চলে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""