আমাদের উপচানো পরিবার, মৃত্যুতে মৃত্যুতে তখন এলোমেলো, ছেলেমেয়েরা যারা বাড়ি ভরিয়ে রাখে, রাখতো, তারা নিজেদের কাজকর্মে হিল্লিদিল্লি, কেউ-বা বিদেশে, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। তখন, আমরা দুই সহোদর, একান্তে কথা বলতাম কখনো। নানা বিষয়ে। কথার পিঠে কথায়, উঠে আসতো কত প্রসঙ্গ, বাড়িঘরের কথা, আমাদের বড়ো পরিবারের নানা মানুষজনের কথা, কত ব্যক্তিগত, কোনো প্রসঙ্গ হয়তো আপাত গুরুত্বহীন, আবার কখনো গোপন ইচ্ছা অনিচ্ছা, আনন্দ বিষাদ। এইসব অলস মুহূর্তের আলাপে, কখনো রসিকতার সুরেই দাদা খেদ করতো সারাজীবন ধরে এত যে লিখলাম এগুলো তো সব হারিয়ে যাবে। ওই দুএকটা উপন্যাস আর গল্প হয়তো থাকবে। রসিকতা না উদ্বেগ বুঝতে পারতাম না। কিন্তু মনে হতো, গলায় যেন ক্ষীণ বিষণ্ণ উদ্বেগ থাকতো। একদিন জিগ্যেস করেই ফেললাম। একটু চুপ করে থেকে আমাদের এক দূরআত্মীয়ের গল্প শোনালো। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা অধ্যাপক। তাঁর পাণ্ডিত্য ছিলো সর্বজনস্বীকৃত। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা বই ছিলো। তাঁর মৃত্যুর পর পুত্রকন্যারা কোনো
কিছুরই দায় নেয়নি। তাঁর ব্যক্তিগত লাইব্রেরির বই গুদামজাত করেছিলো। এঁরা সবাই কৃতবিদ্য। অনেকেই বিদেশে থাকেন। তাঁর নাম-ও ভুলে গেলো মানুষজন। এটুকু বলেই চুপ করেছিলো। আমার মতো অসমজদারও ইশারা ধরতে পেরেছিলো।
কঙ্ক পত্রিকার দেবেশ রায় সম্মাননা সংখ্যার জন্য, গৌতম সেনগুপ্ত ও স্বপন পাণ্ডার ইচ্ছায় ও নির্দেশে 'দেবেশ রায়ের কবে কোন লেখা" নামে একটা প্রাক প্রাথমিক পঞ্জি নিমাণ করতে হয়েছিলো। বাংলাদেশের 'চিহ্ন' পত্রিকা সেটা বই
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""