আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে প্রাথমিকভাবে যৌনতা কখনই উপেক্ষিত ছিল না। বরং শৃঙ্গাররস এবং যৌনতার অবাধ ব্যবহারই প্রাচীন সাহিত্যগুলোকে সুন্দরতর করে তুলেছে-একথা যে কেউ স্বীকার করে নেবেন। অতএব আজকের যৌনতার ব্যবহ্যর সাহিত্যের ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়ে থেকে যাওয়া আমরা স্বভাবতই বৈদেশিক অনুগ্রহে প্রাপ্ত হয়েছি একথা বলতেই হয়।
চর্যাপদ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব পদাবলীতে যে পরিমাণ যৌনতার চর্চা লক্ষ্য করা যায়, তথাকথিত আধুনিকতা চলে আসার।
পর ক্রমান্বয়ে তাকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। বাংলার সংস্কৃতির তন্ত্র নির্ভরতাই শরীরের গুরুত্বকে আলাদা করে প্রতিষ্ঠা পেতে হয়তো বা সহায়তা করেছে। চর্যাপদে যে কথাগুলি সাধনার গুঢ়তত্ত্ব আকারে রূপকের আড়াল খুঁজছিল, শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে গ্রাম্যতার প্রভাবে পুষ্ট হয়ে সে যেন নিজ লজ্জাবরণ উন্মুক্ত করে দেয়। এমনকি পরবর্তীকালীন সাহিত্যগুলির ক্ষেত্রেও অশ্লীলতার অংশটিই ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়;
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""