নিয়ন্ত্রণ ও রোগলক্ষণ
এ সংকলনেও রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে যে লেখাটি ছাপা হয়েছে সেটি 'মার্জিন অব মার্জিন' (সংক্ষেপে মম) শীর্ষক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বই- অজিত চৌধুরী, দীপঙ্কর দাস এবং অঞ্জন চক্রবর্তীর মিলিত প্রয়াস- কেন্দ্র করে লেখা। প্রথম সংকলনে নির্বাচিত রচনাগুলিতে ঐ বইটির বেশ কিছু তাত্ত্বিক ধারণা নিজের মত সরল করে পেশ করেছিল দীপঙ্কর। এই সংকলনে নির্বাচিত প্রবন্ধ 'মম'-এর একটি অধ্যায়ের- অধ্যায় ৩-এর অনুবাদ, কিছু মেদ বাদ দিয়ে।
সাহিত্যিক-প্রাবন্ধিকদের ক্ষেত্রে অনেক সময় একটা লোভ সামলান মুস্কিল হয়-শব্দ নিয়ে, বাক্য গঠন নিয়ে মজা করার। মশকরায় হারিয়ে গেলে কিন্তু চলবে না। খুবই মনোযোগ দিয়ে পাঠ না করলে অর্থ উদ্ধার দুষ্কর।
রচনাটির কাঠামো ত্রিভুজাকৃতির। ত্রিভুজের তিনটি কোণ: মনোবিদ্যা, দর্শন আর রাজনৈতিক অর্থনীতি। প্রবন্ধটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের মধ্যে সম্পর্ক, এবং আধুনিক, উত্তরআধুনিক, উত্তর-উত্তরআধুনিক যুগক্রমে ত্রিভুজের বিবর্তনের একটি আখ্যান, 'নিয়ন্ত্রণ' (হেজেমনি) ও 'রোগলক্ষণ' (সিম্পটম) ধারণাগুলিকে কেন্দ্র করে।
আধুনিকতার (মডার্নিটি) সংস্কৃতি সরল এককেন্দ্রিক অস্তিত্বে বিশ্বাসী, যে কেন্দ্রের উন্মেষ মানুষ তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ঘটাতে পারে। আধুনিকতার যুগের মার্ক্সবাদের ব্যাখ্যা (যাকে মার্ক্সবাদের সাবেকি ব্যাখ্যা বলা হয়) হেগেলীয় এসেনশিয়ালিজমের দোষে দুষ্ট। মার্ক্সবাদের এই ব্যাখ্যা অনুসারে সামাজিক কাঠামো, সামাজিক বিবর্তন এবং ব্যক্তি স্বত্বা এককেন্দ্রিক বা এদের একটি সারবত্তা
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""