'ঈশ্বর' একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর শব্দ। এই শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের গভীর বিশ্বাস, আশা ভরসা ও আবেগ।
আজ এই একবিংশ শতকে এসে বিজ্ঞানকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। যুক্তিবোধের শেকড় অত্যন্ত গভীরে প্রোথিত।
অগণিত মানুষ আজ জানতে চান-যুক্তি ও প্রমাণিত সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের কাছে ঈশ্বরের ভূমিকা কি? ধর্মবিশ্বাসী মানুষেরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন 'ঈশ্বর' পরম রহস্যময়। ঈশ্বরের পরম রহস্যময়তার আবরণ কি বিজ্ঞান কোনদিন সত্যিই খুলে ফেলতে পারবে?
পৃথিবীর অগণিত মানুষের কাছে বিজ্ঞান ও ঈশ্বর-দুইয়েরই প্রয়োজন ছিল, আছেও। সুদুর অতীতে জীবনসংগ্রামেরত অজ্ঞ ও অসহায় মানুষের রক্ষাকর্তা হিসেবে দেবদেবীদের প্রয়োজন হয়েছিল। বিস্ময় কৌতূহল অনুসন্ধান ও জ্ঞান অর্জনের তাগিদকে সঙ্গে নিয়ে অজান্তে বিজ্ঞানের পথে পা বাড়িয়েছিল মানুষ। তবে তখনও দেবদেবীরা মানুষের জীবনদায়ী প্রেরণা হয়েই থেকেছিলেন। দু'লক্ষ বছর আগের আদিম জীবনকে পিছনে ফেলে আজ বিজ্ঞানের কল্যাণে মানবসভ্যতা এসে পৌঁছেছে এক সুউন্নত, পরিশীলিত স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনে। বিজ্ঞান মানুষকে এক বর্ণময় জীবন দিয়েছে। বিজ্ঞানীদের জ্ঞান, মেধা ও বুদ্ধি মানুষের জীবনে বিলাসিতা এনেছে, তারই সঙ্গে দিয়েছে স্বচ্ছ দৃষ্টি, যুক্তিবোধের ভাবনা। তবুও সম্পূর্ণ সুখ শাস্তি নিরাপত্তা কি পেয়েছে মানুষ?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""