উপর ংলার সঙ্গে চর্চায়
পৃথিবীর সকল সংস্কৃতির মূল শিকড় হল লোকসংস্কৃতি। কিন্তু বিষয় হিসাবে স্বীকৃতি পেতে তার কালঘাম ছুটে গেছে। এখনো শিষ্ট সাহিত্যের মতো উচ্চ কৌলিনা বা কলকে এখনো পায়নি।
তবু লোকসংস্কৃতিই সমস্ত সংস্কৃতির মূল ভিত্তি। বিশেষত বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রক্ত লাল-রাঢ় জেলার ইতিহাস লোকসংস্কৃতি ছাড়া অসম্পূর্ণ ও অসম্ভব। যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি, মানিকলাল সিংহ, চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত অসম্ভব নিষ্ঠা ও পান্ডিত্য নিয়ে লোকসংস্কৃতির স্বর্ণদ্বার উদ্ঘাটন করে গেছেন।
ইদানীং প্রাক্তনদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রূপেন্দ চাট্টোপাধ্যায়, বিপ্লব করাট, জলধর হালদার, মেঘদূত জুঁই, সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়রা প্রত্ন-গবেষণার সঙ্গে সঙ্গে লোকসংস্কৃতি নিয়ে ক্ষেত্রসমীক্ষায় ক্ষেত্রকে প্রসারিত করছেন।
নতুন এক ঝাঁক তরুণ এ কার্যে যথেষ্ট আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এদের মধ্যে একেবারে নতুন মুখ তন্ময় কুম্ভকার। তিনি উদীয়মান গবেষক, লোকসংস্কৃতির আঙিনায় তন্নিষ্ট, অনায়াস এবং অনলস পথিক। ইতিমধ্যে কাঁসাই-কথা নিয়ে তাঁর লেখা আঞ্চলিক উপন্যাস 'কংসাবতী কথা কয়' বৃহত্তর পাঠক মহলে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। তাঁর লেখা 'বর্ণময়' উপন্যাস আধুনিক শিশুসাহিত্যে নবদিগন্ত উন্মোচিত করেছে। গ্রন্থটি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা কমিশনের নজর কেড়েছে এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে বিদ্যালয়ের সিলেবাসের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পথে। অগণিত পাঠকের ভালোবাসা পেয়েছে তাঁর লেখা উপরোক্ত গ্রন্থগুলি ছাড়াও আরো দুটি গল্পগ্রন্থ- 'বলা যায় না তারে', 'মুক্তমেঘ' এবং একটি কাব্যগ্রন্থ 'উড়তে দাও'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""