ছোটবেলা থেকেই পাখির শখ ছিল। বাড়ীর আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ান চড়াই, কাক, শালিখ, পায়রাকে রান্নাঘর থেকে চুরি করা গম, চাল, ভাত খাওয়াতাম। কিন্তু তারা কেউই নিজের ছিল না। খাবার খেত আর উড়ে পালিয়ে যেত। অবশেষে নিজের পাখি এল। ছোট খাঁচায় চারটে বদ্রিকা পাখি। তখন থেকেই মনে হতে লাগল জানতে হবে এরা ঠিক কি কি খায়, কিভাবে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হয়, শুনেছি খাঁচায় এদের বাচ্চা হয়-কিভাবে হয়, বাচ্চা হলে কি কি করতে হ ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন যার কাছেই পাখি আছে বা হাটে যারা পা।ি। বিক্রি করে, তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম কি কি করতে হবে? এক এক জনের এক এক কথা। সেই মত চলতে গিয়ে নানা সমস্যা। কোন কিছুই ঠিক মত হয় না। সমস্যার কথা বললে আবার শুনতে হয়। "আগে কয়েক বছর পাখির ময়লা ঘাট তারপর বুঝবে।" আরও কত কি? খুব কষ্ট হত যখন শখের পাখি অসুস্থ হয়ে মারা যেত, বাচ্চা মারা যেত। কিছু করতে পারতাম না। ধীরে ধীরে জেদ এসে গিয়েছিল মনে।। ভাল করে জানতে হবে শিখতে হবে এবং তাও নিজে একলা। শুরু হয়ে গেল চেষ্টা, পড়তে লাগলাম নানা বই, তা সে সপ্তম শ্রেনীর ঢেীবন বিজ্ঞান থেকে শুরু করে nutrition-এর বই, ওষুধের বাক্সের ধ্যে থাকা literature থেকে শুরু করে Medicine Index অবধি। এই সময়ে কিছু বয়স্ক ব্যক্তি, যাঁর। অনেকদিন পাখি পোষার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কাছ থেকে অনেক কিছু উপদেশ পেয়েছি। এই সমস্ত তথ্যই লিখে রাখতাম এবং নিজের বুদ্ধি দিয়ে তা পাখির ওপর প্রয়োগ করার চেষ্টা করতাম। ধীরে ধীরে দেখতে পেলাম পাখিগুলো আগের থেকে ভাল থাকছে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""