আস্তে-ধীরে সম্পূর্ণই ইলেকট্রনিক রিডার বা ই-রিডার নামক এক যন্ত্র হয়ে উঠবে বই। বাড়িতে বা লাইব্রেরিতে সারি সারি সাজানো থাকবে না। ধুলোপড়া, ছেঁড়া-ফাটা, বাঁধন আলগা হওয়ার এবং বইপোকার কক্কিও সামলাতে হবে না পাঠককে। চটি বইয়ের সমান এক আয়তনে হার্ড ডিক্সে একসঙ্গে জায়গা নেবে কয়েক হাজার ই-বই। কেস-এ পোরা অবস্থায় যাকে দেখতে লাগবে ছোটমাপের চামড়ায় বাঁধানো একটি।
বইয়ের মতো। এক বইয়ের ভেতর রাশি রাশি বই। শিক্ষিত বাঙালি সংস্কৃতির যৌথ পরিবার ভেঙে বরাদ্দ বেশ স্বল্প চৌহদ্দির ভেতর তাকে মানাবেও ভাল। জায়গা বেঁচে যাবে অনেকখানি। আর বিসদৃশ লাইব্রেরির পরিসরও তখন লহমায় বদলে গিয়ে হয়ে উঠবে ডিজিটাল।
ডিজিটাইজ করে ফেলা বই বাড়ি ও লাইব্রেরিতে বসে পড়া যাবে ক্লিক করে। বৈদ্যুতিন রচনাসম্ভার হয়ে উঠবে বই।
ইংরেজি বইয়ের আদর্শে যেহেতু বাংলা বইয়ের পরিকল্পনা, সেজন্যই বোধহয় প্রযুক্তির বাড়বৃদ্ধিতে ইউরোপিয়ান মডেলই বাঙালির বিশেষ পছন্দের। বাংলা তথা ভারতের মতো বহু ভাষার দেশে সর্বক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া কতখানি কার্যকর করা সম্ভব, সেদিকে উন্নত প্রযুক্তির শিখর ছোঁয়ার স্বপ্নে মশগুল বাঙালির অবশ্য বিশেষ কোনও হেলদোল নেই। বইবস্তুর যান্ত্রিক রূপারোপেই তার আনন্দ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""