আজ যদি বিভূতিভূষণ বেঁচে থাকতেন? এবং তিনি গ্রাম ও অরণ্য নিয়ে কী লিখতেন। তাতে কি ধর্ষণ, শ্রেণীশত্রুর রক্ত, বর্গার কাটা মুন্ডু, রাজনৈতিক এলাকা দখলের শোনিত-লাভা গড়াত তাঁর মরমী বর্ণমালায়, পেলব বাক্যে ও মধুময় পৃষ্ঠায়? কী করতেন এই পরিবর্তিত গাঁ-গঞ্জ নিয়ে পথের কবি? জানা নেই।
গ্রাম, যে গাঁ পরিবর্তিত নগর গড়ানে সভ্যতায়, সে গ্রাম এখন বৃহৎ পুঁজির স্বর্ণ-মৃগয়া-ক্ষিতি। সংবাদপত্রের এখন রুরাল এডিশন এবং তা সূর্যোদয়ের পূর্বে গোরোস্তের বারান্দায় পৌঁছনর জন্য খবরের কাগজের অফিস, মুদ্রণ বিভাগ সহ বসেছে, দেড় দু'দশক হল। বৈদ্যুতিন কর্মীরাও ব্যস্ত হিংসাক্রান্ত আলপথে, ইদাড়ে-পাঁদাড়ে। গ্রাম এখন প্রভূত আগ্রহের বিসয়, এমনকি সৃষ্টিধর্মী লেখাতে।
এ গ্রন্থে যেমন শরৎবাবুর চন্ডীমন্ডপের বজ্জাত গ্রামের কথা আছে, তেমনি আছে যতীন্দ্রমোহন বাগচির, 'ওই যে গাঁ-টি যাচ্ছে দেখা আইড়ি ক্ষেতের আড়ে...' গ্রামও। বাদ পড়েনি রাজনৈতিক চাপান সারের গ্রামও।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""