অমরেন্দ্র কুমার রায় তাঁর 'শরৎপ্রসঙ্গ' বইতে লিখেছেন অনেকের ধারণা শরৎচন্দ্র বেশ্যাসক্ত ছিলেন।" 'শরৎচন্দ্রের রেঙ্গুনের বন্ধু গিরীন্দ্রনাথ সরকার তার ব্রহ্মদেশে শেরৎচন্দ্র' গ্রন্থে শরৎচন্দ্রকে "সমাজ বিরোধী, উচ্ছৃঙ্খল যুবক" বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও লিখেছেন
'তিনি একদিক দিয়ে ছিলেন এক উচ্ছৃঙ্খল যুবক, দিনরাত মদের নেশায় চূড় হয়ে থাকতেন। মদ না পেলে আফিমের নেশাতেও ভূত হয়ে থাকতেন আর অধিকাংশ সময় কাটাতেন রেঙ্গুন শহরের নিষিদ্ধ পল্লীতে।" শরৎচন্দ্রের জীবনীকার গোপালচন্দ্র রায় লিখেছেন- "শরৎচন্দ্র একবার তাঁর বন্ধুর সঙ্গে পতিতার কাছে গিয়েছিলেন। মেয়েটি নাচ গান জানতো। নাচ গান চলতে লাগল। এদিকে দু-বন্ধু মিলে একটু একটু করে মদ্যপানের মাত্রাও বাড়াতে লাগলেন। এক সময় উভয়েই নেশায় বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এমনকি তাদের কোমরের কাপড়ও ঠিক রইল না।" কিন্তু কেন শরৎচন্দ্রের এই ছন্নছাড়া জীবন। কেন শরৎচন্দ্রকে প্রায় সারা জীবন তথাকথিত ভদ্র এলিট সমাজের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে থাকতে হয়েছিল?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""