ঋগবেদের প্রথম মণ্ডলের ১২৬ তম সূক্তের পঞ্চম ঋকে আছে- "সুবন্ধবো যে বিশ্যা ইব ব্রা অনস্বন্তঃ শ্রব ঐযন্ত পূজা" ইতিহাসবিদ মরিস ভিন্টারনিৎসের মতে এখানে যে "বিশ্যা" গণিকা (गणिকা) শব্দটি আছে তার থেকেই নাকি "বেশ্যা" কথাটির উৎপত্তি।
প্রথম মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের (খ্রিষ্টপূর্ব ৩২১ থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ২৯৭) কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র থেকে পতিতা ও পতিতা বৃত্তি সংক্রান্ত ভারতবর্ষের চিত্র পাওয়া যায়।
অ্যাথেন্সের আইন প্রণেতা ও কবি সোলোন (খ্রি.পূ. ৬৩৮-খ্রি.পূ. ৫৫৮) যিনি তৎকালীন গ্রিকের সাতজন জ্ঞানী লোকের একজন হিসাবে গণ্য হতেন, খ্রিস্টপূর্ব ছয় শতকে এথেন্সে তিনি প্রথম বেশ্যালয় স্থাপন করেন।
ইতিহাসের জনক হিসাবে খ্যাত হিরোডেটাস-এর লেখায় 'পবিত্র বেশ্যাবৃত্তির' প্রচুর উদাহরণ পাওয়া যায়। যেটি প্রথম শুরু হয়েছিল ব্যাবিলনে। ইউস্তিয়ানের স্ত্রী রোমক সম্রাজ্ঞী থেওডেরো প্রথম জীবনে বেশ্যা ছিলেন।
রামায়ণে আছে, রামকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করার সময় বশিষ্ঠ মুনি সুসজ্জিতা গায়িকা গণিকাদের প্রাসাদে আনতে বলছেন।
মহাভারতেও রয়েছে গণিকাদের ভূমিকা। যেমন, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে সন্ধির প্রস্তাব নিয়ে কৃষ্ণ যখন হস্তিনাপুর যান, তখন তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য ধৃতরাষ্ট্র সুসজ্জিতা হাজার হাজার গণিকাকে পাঠিয়েছিলেন। মৌর্য আমলে গণিকারা একটি রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান ছিল এবং তারা গণিকাধ্যক্ষের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন, তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হত এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""