সোনা, রুপো, তামার মতো ধাতু বহুকাল ধরে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কোথাও সিসা, পিতল, লোহা বা টিনের ব্যবহারও দেখা গেছে। ধর্মশাস্ত্রে সোনা, রুপো ইত্যাদির বিনিময় পদ্ধতিতে পাওয়া যায়- ৫ রতি সমান ১ মাযা, ৮০ রতি সমান ১৬ মাষা সমান ১ সুবর্ণ, ৩২০ রতি সমান ৬৪ মাষা সমান ৪ সুবর্ণ সমান ১ পল। একইভাবে সোনা, রুপো, তামার ওজনের রীতি ছিল।
ঋগ্বেদে আছে, ঋষি কক্ষীবন সিন্ধুতীরের রাজা ভাবযব্যের কাছ থেকে শত নিষ্ক গ্রহণ করেছিলেন। যদিও সুবর্ণ মুদ্রা মেলেনি সেভাবে। তবে চারকোনা বা গোলাকার রুপোর মুদ্রা মিলেছে। সেগুলোকে প্রাচীন ভারতীয় মুদ্রা হিসেবে ধরা যেতে পারে। তবে তার মধ্যে চতুষ্কোণ মুদ্রাগুলোকে প্রাচীনতম বলা যায়। এগুলোর দু'দিকে অঙ্কচিহ্ন দেখা যায়।
সিন্ধুসভ্যতার মহেঞ্জোদারো সম্ভবত ভারতের ইতিহাসের সব থেকে উল্লেখযোগ্য প্রত্নক্ষেত্র। সিন্ধুসভ্যতা পতনের সাত-আটশো বছর পরে তার ধ্বংসস্তূপের ওপর গড়ে উঠেছিল বৌদ্ধস্তূপ। সম্প্রতি এখানে জমির তলার মাটির পাত্র থেকে মুদ্রা মিলেছিল।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""