অজ্ঞতা সেখানে! ঈশ্বরের যেমন জাত থাকে না, জলের যেমন জাত থাকে না, কবি বা লেখকদেরও তেমনি কোনও ভাগাভাগি থাকে না! যাঁরা লেখেন তাঁরা লেখক জাত! এই যে সংকীর্ণতা, এই যে হীনমন্যতা, এই যে স্থূল দেশপ্রেম অস্বীকার করা যায় না বলেই হালিশহরে রাসমণির মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রথম ভাবনার ওপরে যে তত্ত্বকথা নানা জায়গায় প্রকাশিত হয়েছে, তাও অমূলক নয়! জানা যায়, ব্রাহ্মণ প্রধান কুমারহট্টের গোঁড়া ব্রাহ্মণ সমাজপতি আর উচ্চবর্ণের ধনাঢ্য ব্যক্তিরা, কৈবর্তের মেয়ের সেই ভাবনাকে গোড়াতেই খর্ব করেছিলেন নিজেদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবার ভয়ে। এসব তত্ত্বকথা কতটা তথ্যনির্ভর বলা মুশকিল, তবে কথাটা রানিমার কানে গিয়েছিল। ভিতরে ভিতবে তপ্ত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জমি যখন প্রযোজনের তুলনায় নগণ্য এবং অনুপযুক্ত তখন ঝগড়াঝাটি করে লাভ নেই কারও সঙ্গে, এমন একটা মন যখন তৈরি করেছেন রানিমা, তখনই খবর এল। এই খবরের সূত্র ছিল সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটনী মহলের। মথুরামোহন অ্যাটনী মহলের খুবই পরিচিত জন। কাজেই মথুরামোহন শুনলেন পূর্বদিকে দক্ষিণেশ্বর নামক গ্রামে গঙ্গার তীরে এমন এক বৃহৎ জমি আছে, মূলত সেই জমি সর্বধর্ম সমন্বয়ের যেন সাক্ষ্য বহন করছে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""