বইটির বিষয় ইতিহাস, কিন্তু ভাষা সাহিত্যের। কলকাতার গোড়াপত্তনের ইতিহাস। কেমন ছিল সেদিনের সেই আদি কলকাতা? অন্ধকারচ্ছন্ন, পুতিগন্ধময়, বর্বর এক জীবনযাত্রা। শার্দুল আর শ্বাপদের সহাবস্থান। নরহত্যা ছিল জীবনের নিত্য সঙ্গী। এভাবেই বর্ণিত হয়েছে সেই শুরুর ইতিহাস। ক্রমে জানা যায় পর্তুগিজদের আগমনের কথা। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে নারী নির্যাতনের ইতিবৃত্ত। সে-সময় ছিল চারঘর শেঠ আর বসাকের বসবাস। পরে যখন ইংরেজরা এল, তখন ঐ বসাক আর শেঠরাই বন-জঙ্গল সাফ করে বানিয়ে তুলল ঝাঁ চকচকে এক বসতি। ধীরে ধীরে পালকি ছেড়ে এল ফিটন, গ্যাস বাতি ছেড়ে বিজলী বাতি, তখন লোকের মুখে মুখে শুধু কলকাতার প্রশস্তি, এ যেন এক স্বর্গ।
একে একে উন্মোচিত হয়েছে কলকাতার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। বর্ণনা পেয়েছে মধ্যবিত্ত, বুদ্ধিজীবী বাঙালির উদ্ভবের আখ্যান। আছে সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া মজদুর শ্রেণীর মানুষের বৃত্তান্তও। কলকাতার একদিন কল্লোলিনী তিলোত্তমা হয়ে ওঠার ঘটনা পরম্পরা এই বই।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""