নিউ ইয়র্কের রাস্তায় বরফে পড়ে গিয়ে ভালোমতন চোট লাগল জিকোর। ফলে জিকোকে যেতে হল হাসপাতালে আর সেখানেই দেখা হল ডা কেতন পারেখের সঙ্গে। ডাক্তারবাবুর অনুরোধে জিকোরা ঢুকে গেল এক রহস্যকাহিনির মধ্যে। আত্মহত্যা করেছেন রাকেশ। টাইপ করা সুইসাইড নোট পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু ডা পারেখ বিশ্বাস করেন, ওঁর মামাতো ভাই, যে নিজেই প্রাইভেট ডিটেকটিভ ছিল, সে কিছুতেই আত্মহত্যা করতে পারে না। তাহলে সত্যিটা কী?
অনিল চোপড়া কয়েক বছর আগে ভুল তথ্যে ভরা পেপার প্রকাশ করেছিলেন। ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছিল ওঁকে। তবে কি তিনিই জেঠুর পেনড্রাইভটা সরালেন? জেঠুর গবেষণার সব ডিটেলস পেয়ে গেলে তিনি কিন্তু একধাক্কায় অনেকটা এগিয়ে যাবেন। কিন্তু পেনড্রাইভটা সরানোর সুযোগ ছিল আরও চারজনের কাছে। তাহলে কে?
কৌশিক কর্মকার মেয়ের জন্মদিনের জন্য দু-হাজার টাকা এটিএম থেকে তুললেন বটে কিন্তু সে-টাকা ওঁর ভুলেই স্বাধীন হয়ে রওনা দিল নিজের পথে। তো, সেই টাকা আর কার কার হাতে গেল?
মিস্টার মিত্র নিয়মিত প্লেনে যাতায়াত করেন। সেদিনই এমন হল প্রথমবার। প্লেনের দ্বিতীয় ইঞ্জিনটা খারাপ হয়ে গেল প্রবল ঝড়বৃষ্টির মধ্যে। আর তারপরেই ঘটল এমন কিছু যাকে বলা যায় অভাবনীয়!
একটি উপন্যাসিকা ও ছাব্বিশটি গল্পের এই সংকলনটি সকল বয়সী পাঠকপাঠিকার পছন্দ হবে বলেই আমাদের আশা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""