জার্মানির নোবেলজয়ী লেখক হাইনরিশ ব্যোল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী ওঁকে নাম লেখাতে হয়েছিল জার্মান সেনাবাহিনীতে এবং যেতে হয়েছিল রণাঙ্গণেও। সেখানে তিনি মিত্রশক্তির হাতে বন্দী হন। যুদ্ধের পর স্বদেশে ফিরে অতি সময়ের মধ্যে তিনি যে সাড়া জাগানো উপন্যাসটি রচনা করেন, বাংলা তরজমায় তার নাম 'আদম, তুমি কোথায় ছিলে?'
'আদম, তুমি কোথায় ছিলে?' উপন্যাসটির ছত্রে ছত্রে যে বার্তা বিধৃত হয়েছে, তা হল যুদ্ধ বিরোধিতা। একজন সৈনিক হিসেবে খুব কাছ থেকে তিনি দেখেছিলেন যুদ্ধের ভয়াবহতাকে এবং উপলব্ধি করেছিলেন যে মানবজাতির জন্য কতটা সর্বব্যাপী অভিশাপ ডেকে আনে যুদ্ধ। শুধু বহিরঙ্গের ধ্বংস নয়, যুদ্ধের ফলে। ধ্বস্ত এবং ফাংস হয়। মানুষের মানবিক ভাবনা ও বৃত্তিগুলি আর সেটাই সবচেয়ে। বড় বিপদ সভ্যতার কাছে। এই উপন্যাসটির মাধ্যমে কখনো বাঙ্গের মাধ্যমে আবার কখনো বিবরণের মধ্য দিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন তাঁর যুদ্ধবিরোধী অবস্থান। যুদ্ধকে ঘিরে যে আবেগঘন সম্মানের বলয়, সেটা যে নেহাতই ফাঁপা, তা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন তিনি।
উপন্যাসটি অনুদিত হয়েছে নন্দিনী সেনগুপ্তর কলমে। নন্দিনী একজন কবি, "লেখক এবং জার্মান ভাষায় দক্ষ একজন অনুবাদক। তাঁর কলম ও মনন যথার্থ সুবিচার করেছে এই অসাধারণ উপন্যাসটির প্রতি।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""