প্রথম দিনের লেখাটা শেষ হয়েছিল বেলা আড়াইটে নাগাদ। আপন মনের খেয়ালে প্রবাসে পড়তে যাওয়া একমাত্র সন্তানকে নিয়ে লিখতে শুরু করেছিল তার মা। সেই ছেলেরই মৃত্যুসংবাদ এসে পৌঁছল কয়েকঘণ্টা পরে।
দীঘির-এর মৃত্যুর আটদিন পর আবার লিখতে শুরু করেছিল সীমা। সম্ভবত এই প্রথম তার জীবনে নিজের জন্য কোনও লেখা-লেখি। নইলে এম.এ. পাশ করার পর সংসার সামলানো ব্যতীত অন্য কাজ কখনও টানেনি তাকে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""