একাধারে কবি, গল্পকার, চলচ্চিত্র-নির্মাতা, নাট্যকার, সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ পিয়ের পাওলো প্যাসোলিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯২২ সালের ৫ মার্চ। ইটালির বোলোনিয়া শহরে। পড়াশোনা বোলোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রথমদিকে ক্রিশ্চিয়ান মূল্যবোধের সমর্থক হলেও পরবর্তীকালে নিরীশ্বরবাদী এবং মার্কসবাদী হয়ে ওঠেন। কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যও হয়েছিলেন তিনি, কিন্তু সমকামিতার অভিযোগে তাঁর সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায়, যদিও, তা সত্ত্বেও আজীবন তিনি বামপন্থায় বিশ্বাস রেখেছিলেন। মধ্যবিত্ত মূল্যবোধ, ইটালিতে ক্রমবর্ধমান ভোগবাদ, যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিনিষেধ ইত্যাদির প্রবল বিরোধিতা করে গেছেন প্যসোলিনি। বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র-নির্মাতা গোদার, ফেলিনি, আনতোনিয়োনি, কুরোসাওয়া, ক্রফো, রেনোয়া এবং সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয় প্যাসোলিনির নাম। তাঁর অতিবিখ্যাত কয়েকটি সিনেমার নাম-দ্য গসপেল অ্যাকর্ডিং টু সেইন্ট ম্যাথ্যু, থিয়োরেম, দ্য ডেকামেরন, দ্য ক্যানটারবেরি টেলস, অ্যারাবিয়ান নাইটস এবং স্যালো। তাঁর শেষ চলচ্চিত্র স্যালো নির্মিত হয়েছিল মার্কুয়িস ডি সাদ-এর একটি উপন্যাস অবলম্বনে এবং ইটালিতে মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালের ১০ জানুয়ারি। বহু বিতর্কিত এই সিনেমা ইটালি, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে-সহ অনেক দেশেই নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়ে যায়।
কবি হিসেবেও প্যাসোলিনির ভূমিকা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""