ঊনবিংশ শতাব্দীর আগে পর্যন্ত বাঙালির নিজস্ব কোন ইতিহাসই রচিত হয়নি। এই ইতিহাস বিমুখতা বাঙালি জাতির লজ্জার কারণ হয়ে উঠেছিলো। কজনই বা সে ইতিহাসের খবর রাখে। অতীতকে না জানলে ভবিষ্যতের সৌধ নির্মাণ তো অবাস্তব কল্পনা। তাই দেশকে জানতে গেলে দেশের ইতিহাসকে অবশ্যই জানতে হবে।
ইতিহাস ছাড়া একটি জাতির সামগ্রিক বিকাশ একেবারেই অসম্ভব। ইদানিং ইতিহাস চর্চার প্রবণতা খানিকটা হলেও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তা শুধু জাতীয় স্তরেই নয় আঞ্চলিক ওরেরও ইতিহাস রচিত হচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে একটি বড় গঞ্জ ও শহরকে একক ধরে আবার কখনও এক একটি বিশেষ প্রাচীন জনপদকে একক ধরেও গবেষণার কাজ সুচারু রূপে সম্পন্ন হচ্ছে। আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে যেমন কিছু কিছু সুবিধা আছে তেমনি অসুবিধাও নেহাত কম নেই। 'অঞ্চল' শব্দটি এখানে আপেক্ষিক।
প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্যই শুধুমাত্র সীমানা নির্ধারিত হয়। আবার নানা কারণে বারংবার তার পরিবর্তন ঘটে। এই যেমন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটির জেলা গুলি বিভক্ত হতে হতে বর্তমানে এখন সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে মোট ২৩ টিতে। আবার ২০১৭সালের ৭ ই মার্চের আগে পর্যন্ত বর্ধমান একটি জেলা ছিল। উক্তদিনের পর থেকে
বর্ধমান জেলা ২টি ভাগে বিভক্ত হল। নাম হল পূর্ববর্ধমান এবং পশ্চিমবর্ধমান। পূর্ববর্ধমানের সদর শহর বর্ধমানই রইল। এই জেলার ভাগে পড়লো চারটি মহকুমা। সেগুলি হল বর্ধমান উত্তর, বর্ধমান সদর, কাটোয়া, কালনা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""