'এবং জলঘড়ি'র পূর্ব সংখ্যা বিষয়ে লিখতে আমার একটা কথা মনে হলো-এই পত্রিকার যখন প্রথম প্রকাশ হয়, তখন কিন্তু আমরা (সম্পাদক মণ্ডলী) কেউ এতোটা পথ পেরিয়ে আসতে পারব ভাবিনি। আমাদের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্যরা প্রত্যেকেই ৭০-এর কোঠায়। কিন্তু আমরা আজ অনেক পথ অতিক্রম করে পাঠকের সমীহ আদায় করতে পেরেছি ভেবে বেশ আনন্দ লাগে। এই বয়সে লিটিল ম্যাগাজিন বের করার মতো সাহস ও দক্ষতা যে আমাদের ছিল বা আছে তার প্রমাণ আমাদের পত্রিকাকে পাঠকের আত্মীকরণের মধ্যে দেখতে পাই।
কবিতা, গল্প, পাঠপরিক্রমা, কবির আখর-বিভিন্ন নিয়মিত বিভাগ ছাড়াও এই পত্রিকার বিশেষ আকর্ষণ তার ক্রোড়পত্র বিভাগ। নবীন প্রবীণ লেখকগণ তাঁদের জীবনদর্শন ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমাদের পত্রিকাকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছেন।
প্রতিবার পত্রিকা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্রোড়পত্রে সেজেছে। এবং পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আজকের এই তথ্য বিস্ফোরণের যুগে নবীন পত্রিকাটির ক্রমবর্ধমান চাহিদা আমাদের বিস্ময় জাগিয়েছে। এই বিস্ময় আমাদের সম্পাদক মণ্ডলীর খিদেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সমর্থ করেছে। আজকের সংস্কৃতির আঙিনায় এক জায়গায় দাঁড়িয়ে না থেকে 'এবং জলঘড়ি' ক্রমশ উত্তরণের পথে এগিয়ে চলছে।
আমাদের পূর্ব সংখ্যা সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের জানিয়ে রাখি। আমাদের
পত্রিকার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী পূর্ব সংখ্যার বিষয় ছিল নিয়মিত বিভাগের গল্প,
বিশ্বাস
ঘোষ
প্রবন্ধ, কবিতা, পুস্তক পর্যালোচনা, দূরের জানালা ইত্যাদি। ক্রোড়পত্র বিভাগে ছিল মুদ্রণ চর্চা-বিচল হরফে বাংলা মুদ্রণ পা রাখবে দুশো পঞ্চাশ বছরে ঠিক তিন বছর বাদে, সেই ভাবনা থেকে ক্রোড়পত্রের বিষয় নির্বাচন করা হয়। হাতে লেখা পুথির পাতা থেকে বাংলা হরফকে মুক্তি দেওয়ার প্রচেষ্টা, বাংলা বর্ণমালা জনসভায় এনে ফেলার জন্য বাংলা বর্ণমালার বিন্যাসকে নতুন প্রযুক্তিতে ঢেলে সাজানোর প্রয়াসকে
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""