ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া বিশেষ কিছু বলার নেই এ-বইয়ের ভূমিকায়। জীবনের চলার পথের বাঁকে সর্বত্রই জীবনসঙ্গিনীর প্রেরণা স্মর্তব্য; তবুও 'খাত' এর জন্য আমার অর্ধাঙ্গিনী সঞ্চারীকে আলাদা করে একটা ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি নিজে কখনও পানিশনের ক্রফোর্ডে যাইনি। যে বাড়িটার কথা গল্পে বলা হয়েছে, তার বর্ণনা ওর মুখ থেকে শোনা। ওর চোখ দিয়ে জায়গাটা দেখা এবং বাকিটা আমার কল্পনা। এ ছাড়াও আপার অ্যান্টিলোপ ক্যানিয়নের গার্ডদের কাছে তাড়া খাওয়ার মজার ঘটনাটাও আমাদের দুজনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। 'খাত' যখন বছর কয়েক আগে অপদার্থের আদ্যক্ষর বইমেলা সংখ্যায় বেরিয়েছিল, তখন সঞ্চারী জানায় যে ওর কাছে এটা শুধু থ্রিলার নয়, অনেকাংশেই নিজেদের ভ্রমণ-ডায়েরির পাতা ওলটানোও বটে।
'অপরিচিত' দক্ষিণের জানালা ওয়েবজিনের একটি পুজোসংখ্যায় পূর্বে প্রকাশিত। ভ্রাতৃপ্রতিম শুভদীপ আইচ অনেক আগ্রহ দেখিয়েছিল উপন্যাসটি নিয়ে। তাকে এবং টিম দক্ষিণের জানালাকে অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা। ছাপার অক্ষরে বা ডিজিটাল দুনিয়ার নিরীখে 'জলভ্রমি' এই প্রথম সামনে আসছে। সুযোগ যখন পাওয়া গেছে, এই পরিসরে দু-একটা কথা জানিয়ে যাই- যা হয়তো সেভাবে বলার অবকাশ অন্যত্র থাকবে না। এখনও পর্যন্ত যে ক-টি গল্প-উপন্যাস লিখেছি, তার মধ্যে 'খাত' লিখতে আমার সবচেয়ে অসুবিধে হয়েছে বা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে। না, প্লট ফাঁদতে বা এর জন্য যে রিসার্চটুকু দরকার তার জন্য নয়- আমার ধারণা একজন লেখক সেটুকু মনের আনন্দেই করেন। লেখা শুরুর সময় বুঝতে পারিনি যে একজন বিদেশিকে ইমপার্সোনেট করে, উত্তম পুরুষে লেখা খুব কঠিন কাজ। সাবকনশাসের ভারতীয়ত্বকে প্রতি মুহূর্তে মারতে হয়। আমাদের অজ্ঞাতসারে অনেক উপমা, অনেক মনের ভাব কলমে চলে আসে যা নিতান্তই দেশজ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""