মালায় চন্দনে কণ্ঠি বদল প্রচলিত এক প্রাচীন বিবাহ রীতি। কণ্ঠি বদল বা মালা চন্দন করা বৈষ্ণব সমাজে সাধন সঙ্গীর সঙ্গে চিরতরে বাসা বাঁধার অঙ্গিকার। সেই পরস্পরা কে ধরে রেখে একবিংশ শতাব্দীতেও সেই রীতি এখনও বিদ্যমান। সাধন সঙ্গিনী শব্দের সঙ্গে কণ্ঠি বদলের সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বৈষ্ণবী বা বাউলানী কণ্ঠি বদল করেন। মালা বদল করেন না একথা বলছি না। মালা বদল বা কণ্ঠি বদল যাই ঘটুক সেইতো যদিদং হৃদয়ং মম, তদন্ত হৃদয়ং তব। আমার হৃদয় তোমার হোক, তোমার হৃদয় আমার। হৃদয় হয় কি না হয় সে প্রসঙ্গ একেবারেই আলাদা। দুই হৃদয়ের সেতুবন্ধন কে ধরে রেখেই বিবাহ।
সেতুবন্ধন তুলসী কাঠে বা রজনীগন্ধায় হোক, মোদ্দা কথা একত্রে সংসার করা। আমরা প্রায় সকলেই ধর্মভীরু। জীবনের এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুর্বলতা আসে বৈকি। সেই দুর্বলতা কাটাতে কেউ হাত রাখেন শালগ্রাম শিলায়। কেউ বা রাধাকৃষ্ণের চরণ। আজীবন এক পুরুষ বন্ধনে জড়িয়ে পড়েন এক নারী। এক নারী নিজ পরিবার ছেড়ে উঠে আসেন পুরুষটির পরিবারে। এমনকি নিজের পদবী পরিবর্তন করে পুরুষের পদবী গ্রহণ করেন। সকলে করেন এ কথা ঠিক নয়। তবে এটাই রীতি। সিংহভাগ মহিলার পদবী স্বামীর পদবী অনুসারে। সন্তান জন্মগ্রহন কালে তাকেও বহন করতে হয় পিতার পদবী। পরিচিতির সূত্র শুরু হয় এভাবেই। আইন ও সে কথার মান্যতা দেয়। সামাজিক আইনের ধারা মেনেই।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""