সেদিনের পদাতিক ('রায়' বা 'লাঠি') বাহিনীতে চিহ্নিত দস্যুদলকে আমাদের সমাজে ডাকাত> ঠ্যাঙাড়ে ঠগি বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা সকলেই ছিল, সে যুগের আতঙ্কের কারণ। অতীতের ক্ষমতাসীন রাজা, জমিদারদের রায়বেশে নামের সেনাবাহিনী এবং ক্ষমতাসীনদের আত্মরক্ষার জন্য এক ধরনের বিশেষ দেহরক্ষী ছিল। জমিদারি প্রথা এ বাংলা থেকে বিলুপ্তি ঘটলে, সেই সব বাহুবলী বীর মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়ে। তারা কাজ হারায়। অনিশ্চিত জীবনের পথে পা বাড়ায়।
সে সময় বাংলার বিভিন্ন গ্রাম ও নগরের পাশাপাশি, রাঢ়ের বিভিন্ন এলাকার জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলোতে তারা বাহুবলী নানান কাজে লিপ্ত হয়। এভাবেই একসময় কর্মহীন মানুষগুলো ডাকাত দলে নাম লেখালে ডাকাতদের রমরমা রাজত্ব শুরু হয়। সেকালে গোটা বাংলার প্রায় পঁচাত্তর ভাগ অংশ সেই অন্ধকার যুগের শাসকদের হাতে চলে গিয়েছিল। সেই হত্যার, লুটের বীর শাসকদের আস্তানা ছিল বেশই রহস্যজনক স্থানগুলোতে। কোথাও গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিশে, কোথাও নির্জন নদীতীরে, কোথাও-বা জঙ্গল লাগোয়া পোড়ো বাড়ির অভ্যন্তরে ছিল তাদের গোপন ডেরা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""