গল্প লেখা মোটেই সহজ কাজ নয়। প্রচুর পরিশ্রম করে গল্প লেখা যায় না। হাজারবার মাথা ঠুকলেও গল্প আসে না। গল্প যখন আসে, নিজে নিজেই আসে। বহতা নদীর স্রোতের মতো তরতর করে আসে। কখনো কখনো গল্পের প্লট আচমকা চলে আসে, কোনোরকম অনুঘটক ছাড়াই, আবার কখনও আসে কারও কাছে কিছু শুনে বা কোনো ঘটনা দেখে। 'গুল্টেদা আর তিব্বতি বুড়ো' গল্পের সূত্র দিয়েছিলেন লেখক অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী। আবার 'বেলজিয়াম কাচের আয়না' গল্পটা লেখার আগ্রহ খুঁজে পাই হুগলি জেলার এক রাজবাড়িতে ঘুরতে ঘুরতে। বাঁকুড়াতে একটা পরিত্যক্ত জমিদারবাড়িতে খুঁজে পাই 'চৌধুরীদের বাগানবাড়ি' গল্প। আবার মুর্শিদাবাদে জগৎ শেঠের বাড়িতে অমঙ্গলশঙ্খ দেখেই তরতর করে লিখে ফেলেছিলাম 'গুল্টেদা আর অমঙ্গলশঙ্খ' কাহিনিটা।
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে অনেকের কাছে শোনা কিছু কিছু ঘটনা আমাকে এই বইয়ের গল্পগুলো লিখতে সাহায্য করেছে। আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""